ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: সারা দেশে জাল ডিগ্রির ছড়াছড়ি৷ আন্দোলন জোরদার করতে চলেছে স্টুডেন্টস্ ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া (এসএফআই)৷ সিপিএমের ছাত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সরকারি তদন্তের দাবি জানিয়েছে৷ এসএফআই এর দাবি, কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিক৷ নয়তো, পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে৷

এসএফআই-এর সর্বভারতীয় সভাপতি ভি পি সানু এবং সাধারণ সম্পাদক ময়ূখ বিশ্বাস জানিয়েছেন, কিছু অজানা এবং অস্তিত্বহীন বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চ শিক্ষার ডিগ্রি যেমন ডিলিট, পিএইচডি বিলোচ্ছে৷ ওই ডিগ্রিগুলি সারা দেশেই বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে৷ এই ধরণের ‘পেইড ডকটোরাল ডিগ্রি’ এর ব্যাপারে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লেখালেখিও হয়েছে৷ যা চিন্তার বিষয়৷

পড়ুন: ফণীর জেরে বন্ধ থাকবে কলকাতা বিমানবন্দর, দুর্ভোগে যাত্রীরা

এসএফআই-এর দাবি, কিছু জাল শিক্ষাবিদ প্রচার করছেন যে তারা বিশেষ ড্রিগ্রিধারী৷ তারা আম জনতাকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন৷ ওই ব্যক্তিরা নিজেদের জাল ডিগ্রির কথা খবরের কাগজে এবং অন্যান্য সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞাপন আকারেও প্রচার করার চেষ্টায় লেগে রয়েছে৷ সাধারণ মানুষকে সাবধানে থাকতে হবে৷ ওই ঠগদের প্রতারণায় পা দেওয়া চলবে না৷ কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রককে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে হবে৷ অন্যদিকে, যে ব্যক্তিরা সঠিক দবিষক তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন৷

সঠিক গবেষকরা বছরের পর বছর ঘরে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কাজ করেন৷ দেশে এইভাবে যদি জাল ডিগ্রিধারীদের দাপট চলতে থাকে তবে সঠিক গবেষণার কোনও মূল্য থাকবে না৷ সারা দেশের গবেষক সমাজের অপমান৷ এসএফআই-এর মতে এই ঘটনা কোন ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’নয়৷ দেশের উচ্চশিক্ষায় দূর্নীতি এমন পর্যায়ে পৌছে গিয়েছে উৎকর্ষের একমাত্র উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থনৈতিক প্রতিপত্তি এবং রাজনৈতিক কারণ৷ এই সর্বনাশ থেকে মুক্তি পেতে শিক্ষার বানিজ্যিকীকরণের বিরুদ্ধে জনমত জাগ্রত করতে হবে৷

শিক্ষার বানিজ্যিকীকরণ নিয়ে এসএফআইয়ের আন্দোলন নতুন নয়৷ এনডিএ জমানায় এই আন্দোলনকে আরও জোরদার করেছে এই ছাত্র সংগঠন৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমলেই দেশের শিক্ষা তলানিতে ঠেকেছে তা জ্বর্থহীন বাষায় জানাতে চেয়েছে এসএফআই৷ অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকরও শিক্ষার বিষয়ে যে পদক্ষেপ নিয়েছে তার চরম সমালোচনা করেছে এসএফআই৷ সারা রাজ্যে প্রচুর বেসরকারি শিক্ষা প্রতিস্থান রয়েছে৷ ওই শিক্ষা প্রতিষ্টানগুলির উৎকর্ষতা প্রশ্নের মুখে রয়েছে৷ ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি ছাত্রছাত্রিদের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা তারা পালন করে না – এই অভিযোগ রয়েছে৷ সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে শাসকদলের সংগঠনগুলি প্রভাব বিস্তার করে রেখেছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।