ভোপাল: লেডিকিলার লুকসে লাস্যময়ীদের ঘায়েল করে টাকা হাতানোই তাঁর কাজ৷ হিন্দি সিনেমার চিত্রনাট্যের মতোই প্রতারণার জালে মেয়েদের কাছ থেকে টাকা হাতাতেন মহম্মদ সাউদ৷যেমনভাবে সুন্দরীদের কাছ থেকে টাকা হাতাত ‘লেডিস ভার্সেস রিকি ব্যাহেল’-এর রিকি৷

রিকির মতো ফেসবুকে সুন্দরী মেয়েদের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতিয়ে প্রেমের জাল বুনতেন সাউদও৷ তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে বিয়েও করেন তিনি৷বিয়ের কয়েকদিনের মধ্যেই লাপাতা হয়ে যেতেন তিনি৷ তবে এত কীর্তির পরও ধরা পড়েননি এই মূর্তিমান৷ কিন্তু কাল হল ফেসবুক৷ যেই ফেসবুকে ফেস দেখিয়ে মেয়ে পটাতেন তিনি, সেই ফেসবুকেই পর্দা ফাঁস হল তাঁর৷ কিন্তু কীভাবে?
আসলে এক মহিলার সঙ্গে লিভ ইন করতেন সাইড৷ তাঁদের একটি ছেলেও রয়েছে৷ কয়েকদিন আগে পরিবারের ছবি ফেসবুকে আপলোড করেন ওই মহিলা৷ ওই পোস্ট দেখার পরই ছয় মহিলা দাবি করেন, ওই ছবিতে থাকা ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক ছিল তাঁদের৷ নিজেকে হিন্দি সিনেমার পরিচালক হিসাবে পরিচয় দিয়ে মেয়েদের তাঁদের ফাঁদে ফেলেছিলেন তিনি৷ ওই মহিলারা সকলেই সুন্দরী ও প্রতিষ্ঠিত৷ কিন্তু ফেসবুক পোস্ট সাউদের পর্দা ফাঁস করে দেয়৷এর পরই তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণা, ধর্ষণ এবং আরও কিছু ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে৷ যদিও এখনও পর্যন্ত তাঁর টিকি পায়নি পুলিশ৷ তিনি আপাতত দুবাইতে গা ঢাকা দিয়েছেন বলে খবর৷