নিউইয়র্ক: জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক-কে আর রাজনৈতিক প্রচারের মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না, শীঘ্রই এই পদক্ষেপ করবে সংস্থা। খোদ ফেসবুকের কর্ণধার মার্ক জুকেরবার্গ এই ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ফেসবুকের বর্তমান নিউজ ফিডে রাজনৈতিক বিষয়বস্তুর পরিমাণ কমাতে যে পদক্ষেপ করা হয়েছিল তা আরও বিবেচনা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ‘‘ফেসবুক এবার এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারীদের কাছে নাগরিক এবং রাজনৈতিক দলগুলির সুপারিশ করবে না।’’

গোটা বিশ্বে অন্যতম প্রধান জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়ার শীর্ষে রয়েছে ফেসবুক। সামাজিক এই যোগাযোগের মাধ্যম গোটা বিশ্বকে এক ছাতার তলায় দাঁড় করিয়েছে। তবে ফেসবুক-এর প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে নিজেদের কাজে লাগাচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলি, এমনই অভিযোগ তোলা হয় বিভিন্ন মহল থেকে।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ফেসবুকে রাজনৈতিক প্রচার বড়সড় বিতর্ক তৈরি করেছিল। বিতর্ক বাড়তেই ফেসবুকের তরফে সেই সময় জানানো হয়েছিল, তাদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে রাজনৈতিক দলগুলির সুপারিশ বন্ধ করতে পদক্ষেপ করা হবে।

সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমেরিকায় অশান্তির জেরেও সোশ্যাল মিজডিয়া ফেসবুককে কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটিক সেনেটর এড মার্কি ফেসবুক প্রধান জুকারবার্গকে চিঠি লিখেছিলেন। চিঠিতে তিনি জনিয়েছিলেন, ফেসবুক তার প্ল্যাটফর্মে রাজনৈতিক দলগুলির সুপারিশ বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়েছিল। তিনি ফেসবুকের গোষ্ঠীগুলিকে “ঘৃণার জন্য প্রজননকারী দল” বলেও চিঠিতে উল্লেখ করেছেন।

তুমুল বিতর্ক তৈরি হওয়ায় নড়েচড়ে বসেছে ফেসবুক। সংস্থার কর্ণধার জানিয়েছেন, ফেসবুকের বর্তমান নিউজ ফিডে রাজনৈতিক বিষয়বস্তুর পরিমাণ কমাতে যে পদক্ষেপ করা হয়েছিল তা আরও বিবেচনা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ‘‘ফেসবুক এবার এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারীদের কাছে নাগরিক এবং রাজনৈতিক দলগুলির সুপারিশ করবে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।