সানফ্রান্সিসকো: অনেকেরই ছোট ছোট ভিডিও তৈরির শখ রয়েছে৷ এবার সেই শখ মেটাবে ফেসবুক৷ ভিডিও অ্যাপ “Lasso” লঞ্চ করল স্যোশাল নেটওয়ার্কিং সাইটটি (ফেসবুক)৷ যেখানে ইউজাররা নিজের তৈরি ভিডিও শেয়ার করার সুযোগ পাবেন৷ শুধু তাই নয়, ভিডিওটিকে আকর্ষণীয় বানাতে যোগ করা যাবে ফিল্টার এবং স্পেশাল এফেক্টস৷ ফেসবুক প্রডাক্ট ম্যানেজর অ্যান্ডি হুয়াং ট্যুইটারের মাধ্যমে জানান, ইতিমধ্যেই ফেসবুকের নয়া শর্ট-ফর্ম ভিডিও অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারছেন ইউএসবাসীরা৷

প্রত্যেকেরই পছ্ন্দ আলাদা আলাদা৷ আর, বিষয়টিকে মাথায় রেখেই তৈরি করা হয়েছে অ্যাপটিকে৷ যেখানে থাকছে ভিডিও এডিটিং টুলস৷ এছাড়া, ইউজার ভিডিওটিকে ইন্টারেস্টিং বানাতে পছন্দের গান কিংবা টেক্সট অ্যাড করতে পারবেন৷ তবে, অ্যাপটির লঞ্চ নিয়ে কোন রকম প্রচার চালায়নি কর্তৃপক্ষ৷ বলা যায়, একপ্রকার চুপিসারেই অ্যাপটিকে লঞ্চ করা হয়েছে৷ অ্যাপটিতে শেয়ার করা সমস্ত ভিডিও এবং প্রফাইলস পাবলিক থাকবে৷

ইউটিউব, স্ন্যাপচ্যাটের মত প্ল্যাটফর্মগুলিকে প্রতিযোগিতায় টেক্কা দিতেই ফেসবুক নিয়ে এল নয়া হাতিয়ার৷ এমনই মনে করছেন এক্সপার্টদের একাংশ৷ তথ্য জানাচ্ছে, প্রায় ৬৯ শতাংশ ইউএস টিনএজার স্ন্যাপচ্যাট ব্যবহার করে৷ ইন্সটাগ্রাম ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৭২ শতাংশের মত৷ অন্যদিকে, প্রতিযোগিতায় সর্বাধিক এগিয়ে রয়েছে ইউটিউব৷ ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৮৫ শতাংশ৷ অ্যন্ড্রয়েড এবং আইফোন, উভয় ইউজাররাই ফেসবুকের এই ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপটিকে ব্যবহার করতে পারবেন৷ তবে, বিশ্ববাসী ঠিক কবে পেতে চলেছেন এই “Lasso” অ্যাপ? বিষয়টি এখনও অস্পষ্ট৷

সারা বিশ্বে ফেসবুক ইউজারের সংখ্যা চোখে পড়ার মত৷ সেই সংখ্যাকেই আরও বাড়াতে নিত্যনতুন আকর্ষণ এনে চলেছে সাইটটি৷ তবে, এখানে গ্রাহকদের চাহিদাটিও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়৷ ফেসবুক সর্বদা সেই দিকটিকে মাথায় রেখেই নিয়ে এসেছে নয়া ফিচারগুলিকে৷ আর, সেজন্যই জনপ্রিয়তা ছাড়িয়েছে নির্দিষ্ট মাত্রাকে৷ তবে, ভাল ছবির পাশাপাশি রয়েছে খারাপ ছবিও৷ কিছুদিন আগে তথ্য ফাঁস কান্ডে নাম জড়িয়েছিল সংস্থার৷ শুধু তাই নয়, সেই তথ্যকে বিক্রির অভিযোগও উঠেছিল সংস্থার বিরুদ্ধে৷