নিউ ইয়র্ক: প্রায় নয় কোটি মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হয়ে গিয়েছে ফেসবুকের মাধ্যমে। সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট ফেসবুক নিজেই এই তথ্য ফাঁসের কথা স্বীকার করেছে। একটি ‘কুইজ অ্যাপ’-এর মাধ্যমে ওইসব ডেটা পৌঁছে গিয়েছে ‘কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা’ নামে এক ফার্মের হাতে।

এক মার্কিন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে প্রথম এই তথ্য ফাঁসের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। অন্তত পাঁচ কোটি মানুষের ডেটা লিক হয়ে গিয়েছে বলে অনুমান করা হয়েছিল। কিন্তু ফেসবুকের তরফ থেকে জানানো হল, সেই সংখ্যাটা আসলে ৮ কোটি ৭০ লক্ষ, যা প্রাথমিক অনুমানের থেকেই অনেকটাই বেশি।

বুধবার অনলাইনে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই স্বীকারোক্তি করেছে ফেসবুক। তারা জানিয়েছে ২ লক্ষ ৭০ হাজার মানুষ ওই কুইজ অ্যাপটি ডাউনলোড করেছিল। আর ওইসব ফেসবুক ব্যবহারকারী ও তাদের ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা বন্ধুদের তথ্য এক রিসার্চারের হাতে চলে যায়। সেই ‘কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা’র হাতে ওই তথ্য তুলে দেয়। এটা ফেসবুকের নির্দেশিকার বিরোধী বিরোধী বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

ফেসবুক আরও জানিয়েছে যে, যাদের তথ্য ফাঁস হয়েছে তাদের নিউজ ফিডে জানিয়ে দেওয়া হবে। আগামী ৯ এপ্রিল থেকে সেই নোটিফিকেশন দেবে ফেসবুক।

গত কয়েকদিন ধরেই ফেসবুকের এই তথ্য ফাঁসের বিষয়টি নিয়ে চর্চা হচ্ছিল। এদিন ফেসবুক নিজেদের প্রাইভেসি পলিসিও আপডেট করেছে। ফেসবুক একটি নতুন সেকশন এনেছে, যেখানে ফেসবুক ব্যবহারকারী চাইলে তাদের ফোনের তথ্য “upload, sync or import” অপশনে গিয়ে শেয়ার করতে পারে। এতে কোনও বন্ধুকে খোঁজা সহজ হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।