নয়াদিল্লি: ঘৃণা ও হিংসা ছড়ানোয় এবার কড়া ব্যবস্থা ফেসবুকের। বিজেপি বিধায়ক টি রাজা সিংকে ব্যান করল ফেসবুক। বিবৃতি দিয়ে ফেসবুকের তরফে জানানো হয়েছে, ‘ফেসবুকের নীতি অমান্য করার জেরে রাজা সিং-কে ব্যান করা হয়েছে। এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে যাঁরাই ঘৃণা ও হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা করবেন, তাঁদেরই ব্যান করা হবে। এটাই ফেসবুকের নীতি।’

দিন কয়েক আগেই ফেসবুককে বিঁধে সরব হয় বিরোধীরা। বিজেপির হয়ে রাজনৈতিক প্রচারের কাজ করছে ফেসবুক, এমনই অভিযোগ তোলেন বিরোধী দলের নেতারা। বেশ কিছুদিন ধরেই ফেসবুক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ঘৃণা ও হিংসা ছড়ানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠছিল। এমনকী নির্দিষ্ট কয়েকজনের নামেও ফেসবুকের কাছে অভিযোগ যায়।

এবার সেই সব অভিযোগ পেয়েই তৎপর হল এই সোশ্যাল মিডিয়া। হেট স্পিচ নিয়ে চাপের মুখে পড়েছে মার্ক জুকেরবার্গের সংস্থা। শেষমেশ রীতিমতো বিবৃতি জারি করে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাঁদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা হলে তা তাঁরা কখনই মেনে নেবেন না।

ফেসবুকের প্ল্যাটফরম ব্যবহার করে ভারতে হিংসার আবহ তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ দেশের একাধিক রাজনৈতিক দলের। আগেই ফেসবুকের কর্ণধার মার্ক জুকেরবার্গকে চিঠি লিখেছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন। এমনকী পশ্চিমবঙ্গে ফেসবুকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রও।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তৃতার সময় তাঁর সরাসরি সম্প্রচার তৃণমূল সমর্থকদের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বন্ধ করে দেওয়ারও অভিযোগ তোলেন মহুয়া। বিজেপিকে সুবিধা করে দিতেই ফেসবুকের তৎপরতা বলেও আক্রমণ শানিয়েছিলেন মহুয়া মৈত্র।

যদিও সব অভিযোগ আগেই খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেয় ফেসবুক। শেষমেশ সংস্থার বিরুদ্ধে বেড়ে চলা ক্ষোভ প্রশমনে তৎপর হল ফেসবুক। ঘৃণা ও হিংসা ছড়ানোয় এবার কড়া ব্যবস্থা ফেসবুকের। বিজেপি বিধায়ক টি রাজা সিংকে ব্যান করা হল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I