হনিয়ারা: অত্যন্ত জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক। তবে বেশ কিছু দেশে সম্প্রতি বিতর্কের মুখে পড়েছে এই প্ল্যাটফর্ম। ভারতও তার ব্যতিক্রম নয়।তবে ফেসবুক ব্যান করার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নয়াদিল্লি নেয়নি। যদিও ফেসবুকের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মকে রেয়াত করেনি সলোমন দ্বীপের মতো দেশ।

সলোমন দ্বীপের সরকারের দাবি এই ফেসবুক ব্যবহার করে সরকার বিরোধী বক্তব্য উঠে আসছে। নিজেদের স্বার্থে ফেসবুককে ব্যবহার করা হচ্ছে। তাই সাময়িক ভাবে এই ফেসবুকের ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সলোমন সরকার। সলোমন টাইমস সংবাদপত্র জানাচ্ছে যে বিরোধিতা সরকারের করা হচ্ছে, তা ওই দেশের ভাবমূর্তিকে নষ্ট করছে।

এই প্রেক্ষিতকে মাথায় রেখেই সলোমন দ্বীপের প্রধানমন্ত্রী মনশেষ সোগাভার ফেসবুক নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা করেছেন। ১৭ই নভেম্বর থেকে ফেসবুক নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে সলোমন দ্বীপে। ওই দ্বীপের ৬.৫ লক্ষ মানুষ এতে সরাসরি প্রভাবিত হবেন বলে খবর।

গোটা বিষয়কে বেশ দুর্ভাগ্যজনক বলে ব্যাখ্যা করেছে ফেসবুক। খুব তাড়াতাড়ি এই নিষেধাজ্ঞা সরকার তুলে নেবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে সংস্থার পক্ষ থেকে।

এদিকে. ভারতেও ফেসবুকের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলে বিরোধীরা। চরম বিতর্কের মুখে পড়ে ফেসবুক ছাড়েন ইন্ডিয়া হেড আঁখি দাস। কিছুদিন আগেই এদেশে ফেসবুকের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। কারণ বিদেশি সংবাদপত্রে প্রতিবেদন বের হয়ে ছিল ব্যবসায়িক স্বার্থে ফেসবুক ভারতে বিজেপি নেতাদের উস্কানিমূলক পোষ্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না। সেজন্য এই আঁখি দাসের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ উঠেছিল তখন। ওই খবর জানাজানি হওয়ার পর কংগ্রেস সহ বিরোধীরা এই ইস্যুতে বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হয়। এই নিয়ে যৌথ সংসদীয়় কমিটি গঠনের দাবি উঠেছিল।

ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা সংক্রান্ত যৌথ সংসদীয় কমিটির মুখোমুখি হন ফেসবুকের ইন্ডিয়ার পাবলিক পলিসি ডিরেক্টর আঁখি দাস। সংসদীয় কমিটি তাঁকে প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে। বিজ্ঞাপন ব্যবসা বা নির্বাচনের মত বিষয়গুলিতে কোনরকম অনুমানমূলক উদ্দেশ্যে ফেসবুক নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করা যাবে না তাদের জানানো হয়। এছাড়া একাধিক সা়ংসদ এই সংস্থার কত আয় এবং কত কর দিতে হয় ইত্যাদি তথ্য জানতে চায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I