নয়াদিল্লি: টেক জায়ান্ট ফেসবুক এবং গুগল তাদের বেশিরভাগ কর্মীদেরই ২০২০ সালের শেষ অবধি ওয়ার্ক ফ্রম হোম করাবে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে এমনটাই খবর। করোনা ভাইরাস অতি মহামারীর আকার ধারণ করায় বিশ্বজুড়ে বহু সংস্থাই এখন কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করিয়ে নিচ্ছে।

ফেসবুক অন্তত ৬ জুলাই পর্যন্ত তাদের‌ অফিস বন্ধ রাখবে বলে একটি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছে। তাছাড়া সংস্থাটি তাদের কর্মীদের অনুমতি দিয়েছে চাইলে এই বছরের শেষ পর্যন্ত দূর থেকে অফিসের কাজ করতে পারবে। এক্ষেত্রে এখনও সংস্থার পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি‌ কাদের কাদের অফিসে আসতেই হবে। ফেসবুকের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, তাদের সংস্থা বেশ কিছু বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছেন যেমন জনসাস্থ্যগত তথ্য, সরকারি গাইডলাইন, স্থানীয় বিধি। এইসব এর ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কখন অফিস খোলা সম্ভব।

গত মাসেই ফেসবুক বাতিল করে দেয় ২০২১ পর্যন্ত তাদের প্রধান ফিজিক্যাল ইভেন্টগুলি। ফেসবুকের সিইও মার্ক জুকেরবার্গ জানিয়েছেন, ফেসবুক তার অফিসে ফেরার পরিকল্পনার গতি ধীরে করে দিয়েছে। আর তারা এখন অগ্রাধিকার দিচ্ছে বাকি দুনিয়ার অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়ে চলতে শুরু করার জন্য। জুকেরবার্গ জানিয়েছেন ,সেইসব কর্মী যারা দূর থেকে কাজ চালাতে পারবেন না যেমন কন্টেন রিভিউয়ার এরা কাজ করছেন উগ্রপন্থা বা আত্মঘাতীর বিরুদ্ধে, ইঞ্জিনিয়ার যাদের কাজ করতে হয় জটিল হার্ডওয়ার নিয়ে তাদের অফিসে আসতে হবে।

গুগলও সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাদের সংস্থার বেশিরভাগ কর্মচারীরা ২০২০ সালের শেষ পর্যন্ত বাড়ি থেকে কাজ করবে। গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই জানিয়েছেন, তাদের কর্মীরা ‌২০২০ সালের বাকিটা বাড়ি থেকে কাজ করবে। তবে বাড়ি থেকে কাজ করার জন্য কর্মীরা বেতন ছাড়া পাওয়া বেশকিছু সুবিধাগুলি আর পাবে না। যেমন খাবার, ফিটনেস, হোম ডেকোরেশন, হোম ফার্নিচার ইত্যাদি।

এই নীতি জানাচ্ছে গুগল কর্মীরা তাদের নিজেদের জন্য অথবা অফিসের বাইরে অন্যদের খাবার খাওয়া বাবদ যেটা পেত সেটা আর পাবেন না। গত মাসের পিচাই ইমেইল করে তার কর্মীদের জানিয়েছেন, গুগল এবং অ্যালফাবেট ২০২০ সালে লোক নেওয়ার বিষয়টা‌ একটু ধীর গতিতে চালাবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।