নয়াদিল্লি: প্রচারের শেষ নেই অথচ বাস্তব অন্য কথা বলছে৷ ধোঁয়া হওয়া উনুনের বিকল্প গ্যাস সিলিণ্ডার ঘরে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছে মোদী সরকার এমন প্রচার চলছে৷ অথচ দেখা গেল এই উজ্জ্বলা প্রকল্পের অন্যতম মুখ উত্তরপ্রদেশের গুড্ডি দেবীর ভরসা সেই উনুন। প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে তাঁকে প্রতীকী সিলিন্ডার নেওয়া পোস্টার ছড়িয়েছে গোটা দেশে৷ কিন্তু একটি ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, দারিদ্রের কারণে এই গুড্ডি দেবী এখনও রান্না করছেন উনুনেই৷

নরেন্দ্র মোদী ২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা চালু করেন। প্রকল্পের মাধ্যমে দারিদ্রসীমার নীচে থাকা পরিবারের এক জন মহিলা বছরে ১২টি সিলিন্ডার পাবে। কেন্দ্র বিনামূল্যে গ্যাসের সংযোগ এবং প্রথম সিলিন্ডারের দাম দেওয়ার কথা জানিয়েছিল। এদিকে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন অনুসারে, গুড্ডি দেবী গত তিন বছরে মাত্র ১১টি সিলিন্ডার কিনতে পেরেছেন। তাঁর বক্তব্য, ২০১৬ সালে যখন গ্যাসের সংযোগ দেওয়া হয়েছিল তখন প্রতি সিলিন্ডারের দাম ছিল ৫২০ টাকা কিন্তু এখন সেটারই দাম ৭৭০টাকা। আর অত পয়সা নেই তাদের৷

অন্যদিকে এক গ্যাস বণ্টন সংস্থার মালিকও জানিয়েছেন, এই উজ্জ্বলা প্রকল্পের সুবিধাপ্রাপকদের মধ্যে মাত্র ৩০ শতাংশ সিলিন্ডার কিনে থাকেন৷ পাশাপাশি জানান হয়েছে বিহার, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান এবং মধ্যপ্রদেশে সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার সুবিধাপ্রাপকদের ৮৫ শতাংশ মহিলা কাঠ এবং ঘুঁটে দিয়ে উনুনে রান্না করেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।