নয়াদিল্লি : নির্বাচনী প্রচারে মাস্ক কেন ব্যবহার করা হচ্ছে না। রাজনৈতিক প্রচারে যোগ দিলে কি করোনা সংক্রমণের ভয় নেই, প্রশ্ন তুলে কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনকে এক হাত নিল দিল্লি হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার দিল্লি হাইকোর্ট এক শুনানিতে জানায়, দেশের চারটি রাজ্য ও একটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে নির্বাচন চলছে। চলছে রাজনৈতিক দলগুলির প্রচারও। কিন্তু মাস্কের ব্যবহার রীতিমত সীমিত সেখানে।

এই ইস্যুতে এদিন কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনকে বেশ কটাক্ষের মুখে পড়তে হয় । দিল্লি হাইকোর্ট কেন্দ্র ও কমিশনের কাছ থেকে লিখিত জবাব চেয়েছে, যে কেন রাজনৈতিক প্রচারের মিটিং মিছিলে মাস্ক ব্যবহার করা হচ্ছে না। এদিন হাইকোর্চের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানায়, রাজনৈতিক প্রচারে অংশ নিতে গেলে মাস্ক ব্যবহার করা বাধ্য়তামূলক করতে হবে।

দিল্লি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি এন প্যাটেল ও বিচারপতি জসমিত সিংয়ের বেঞ্চ কেন্দ্র ও কমিশনকে নোটিশ ধরিয়েছে, যেখানে এই প্রেক্ষিতে তাদের উত্তর চেয়ে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন ডিজিপি বিক্রম সিং মাস্ক না পরার ইস্যু তুলে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। সেই মামলার প্রেক্ষিতেই এই পর্যবেক্ষণ আদালতের।

মামলার পরবর্তী শুনানি ৩০শে এপ্রিল হবে বলে জানিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। এরই সঙ্গে মামলাকারী বিক্রম সিংয়ের মূল পিটিশনের অংশের ওপর রায় দেওয়া হবে। মাস্ক না পরলে রাজনৈতিক প্রচারের যাতে অনুমতি না দেওয়া হয়, তার দাবি জানিয়ে পিটিশন ফাইল করা হয়।

এদিকে, দেশে করোনা সংক্রমণের হার ও মৃত্যুর হার বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গত রবিবার সরকারি উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। টিকাকরণ কর্মসূচি নিয়েও বিস্তর আলোচনা করেন। মিটিং-এর পর জারি করা বিবৃতিতে পাঁচটি বিষয়ের উপর জোর দিতে বলা হয়েছিল- টেস্টিং, ট্রেসিং, ট্রিটমেন্ট, করোনা বিধি মানুষ মানছে কিনা তা নজর রাখা এবং টিকাকরণ।বিবৃতিতে বলা হয়েছিল এই পাঁচটি বিষয় কৌশলগতভাবে মেনে চললে করোনার সংক্রমণকে আটকানো যেতে পারে।

উল্লেখ্য, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ১ লক্ষ ২৬ হাজার ২৬৫ জন। এর জেরে দেশে একম মোট সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা ৯ লক্ষ ৫ হাজার ২১। এদিকে দেশের যাবতীয় চিন্তা বাড়িয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় মহারাষ্ট্রের করোনা আক্রান্ত হয়েছে ৫৯ হাজার ৯০৭ জন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।