নয়াদিল্লি: কর্ণাটক নির্বাচন নিয়ে এখনও মাথাব্যথা যায়নি। ১৫ দিনের মধ্যে আস্থাভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রমাণ করতে হবে বিজেপিকে। তা সত্বেও ২০১৯-এর কথা ভাবতে শুরু করে দিয়েছে গেরুয়া শিবির। আগামিদিনে কোন পথে এগোবে তারা, সেই ছক কষতেও শুরু করেছে বিজেপি।

রোডম্যাপ তৈরি করার শুরুতেই বিজেপির টার্গেট তিন মাসের মধ্যে ২২ কোটি লোকের কাছে পৌঁছে যাওয়া। দলের সাতটি শাখার সদস্যদের উদ্দেশে ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ মিটিং-এ বক্তব্য রাখার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ বারবার জোর দেন যাতে প্রান্তিক মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি করা সম্ভব হয়।

বিরোধীরা বারবার অভিযোগ আনছে বিজেপি দলিত-বিরোধী, সংখ্যালঘু-বিরোধী বা কৃষক-বিরোধী। তাই এবার সেইসব ক্ষেত্রে নজর দিতে চায় বিজেপি।

দলের বিভিন্ন শাখার মাথাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা মানুষের চাহিদার কথা তুলে ধরেন শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে। তা থেকেই তারা সিদ্ধান্ত নেবেন যে কীভাবে এগোলে মানুষকে কাছে টানতে সুবিধা হবে।

এই প্রথমবার কোনও ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ মিটিং-এ বিজেপির সব শাখার সঙ্গে একইসঙ্গে কথা বলল মোদী ও অমিত শাহ। আগামী লোকসভা নির্বাচনে এই রোডম্যাপে এগোলে কাজ করতে সুবিধা হবে বলে জানানো হয়েছে। বৈঠকে ছিল বিজেপির মহিলা মোর্চা, সংখ্যালঘু মোর্চা, তফশিলী জাতি ও উপজাতি মোর্চা, যুব মোর্চা, কিষাণ মোর্চা, ওবিসি মোর্চা। এর আগে গত সোমবার বিজেপি রাজ্য সভাপতিদের নিয়ে একটি বৈঢক করেন।