ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: ২০১২ সালে মালদহ জেলার ঠিক পার্শ্ববর্তী বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় একটি খুনের ঘটনায় ছয় জেএমবি জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছিল বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ। ধৃতদের জেরা করে আরও এক অভিযুক্তের সন্ধান পায় পুলিশ। যদিও ঘটনার পর থেকেই সে বেপাত্তা হয়ে যায়।

এরপর দীর্ঘ দিন মামলা চলার পর সানোয়ার আলী (৩৬), জাহাঙ্গীর আলম (৩৮) ও আব্দুস শুকুর (৩২) কে মৃত্যুদণ্ডের সাজা ঘোষণা করল চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আদালতের অতিরিক্ত দায়রা বিচারক শওকত আলী। এই ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া শামসুল হক (৩২), বুলবুল শেখ (৩২), এবং সাইফুল ইসলাম (৩৮) ও শামীম শেখ (৩৪) কেউ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে।

এই মামলায় অতিরিক্ত সরকারি আইনজীবী অঞ্জুমান আরা বেগম তার প্রেস বিবৃতিতে সংবাদমাধ্যমকে জানান, নির্দিষ্ট সাক্ষী ও প্রমাণের উপর ভিত্তি করে এই সাজা ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে, সাজাপ্রাপ্ত সাতজনের মধ্যে ছয় জন পুলিশ হেফাজতে থাকলেও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মূল অভিযুক্ত সানোয়ার আলী গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে। সে গ্রেফতার হলেই তাকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

এই কুখ্যাত জঙ্গিদের সাজা ঘোষণার ঘটনার পর থেকেই, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত জুড়ে জারি করা হয়েছে লাল সর্তকতা। বাংলাদেশ পুলিশের ধারণা, অভিযুক্ত সানোয়ার এই সাজা ঘোষণা হওয়ার পরই গ্রেফতার হওয়ার ভয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে দিকের পালানোর চেষ্টা করবে। ভারতে তাদের যথেষ্ট লিংক ম্যান রয়েছে বলে খবর। কোনও ভাবেই তাদের অভিযুক্ত ভারতে প্রবেশ করতে না পারে সেই কারণে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ও বিএসএফের পক্ষ থেকে সীমান্তে নজরদারি দ্বিগুণ করে দেওয়া হয়েছে।

বিশেষ করে কাঁটাতার হীন এলাকায় জল সীমান্তে বিশেষ নজরদারি চলছে। শীত পড়তেই ভরা কুয়াশার সুযোগ নিয়ে এই সময়ে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা বেশি বেড়ে যায়। সেই কারণে রাত্রিবেলা নাইট ভিশন দূরবীনের সাহায্যে বিশেষ নজরদারি রাখছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী। সীমান্তবর্তী গ্রাম গুলিতেও অতিরিক্ত নজর রাখা হয়েছে। মালদহ জেলায় প্রায় ১৭২ কিলোমিটার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত রয়েছে। এদের মধ্যে বিস্তীর্ণ এলাকা কাঁটাতার হীন। রয়েছে জল সীমান্ত। স্বাভাবিকভাবেই প্রশাসনের কাছে যা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও এই বিষয়ে গোটা ঘটনা নিয়ে বিএসএফ বা পুলিশ কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ