নয়াদিল্লি: করোনার কোপে মাইনের কিছু অংশ আগেই দান করেছিলেন দেশের বেশ কিছু নেতা-কর্মীরা। এবার গুজব ছড়িয়ে পড়ে করোনা পরিস্থিতিতে ১০ ঘণ্টা কাজ করতে হবে কেন্দ্র সরকারি কর্মচারীদের। এরপরেই আসরে নামে পিআইবি। এই খবরকে সম্পূর্ণ ভুল বলে জানিয়ে দেওয়া হয় প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর তরফে।

পিআইবি জানিয়ে দিয়েছে এই ধরনের কোনও আলোচনা কেন্দ্রে হয়নি। এছাড়াও বেশ কয়েকটি রিপোর্টে দাবি করা হতে থাকে, সকাল ৯ টা থেকে সন্ধে ৭টা পর্যন্ত কাজ করতে হবে কেন্দ্রের সরকারি চাকুরিজীবীদের। অনেক রিপোর্টে আবার বলা হয়, শনিবারও কাজ করতে হবে, যদিও এসব সবকিছুকেই মিথ্যে বলে নাকচ করেছে পিআইবি।

এছাড়াও কেন্দ্র সরকার তার চাকুরিজীবীদের মাইনেতেও কোনও প্রভাব ফেলতে এখনই রাজি নয়। তবে সরকারি কর্মীদের জন্য আগেই এই অ্যাপ ডাউনলোড বাধ্যতামূলক করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

দেশজুড়ে লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়েছে কেন্দ্র। আগামী ১৭ মে অবধি চলছে লকডাউন। এই নিয়ে দেশের লকডাউন পড়ল তৃতীয় ধাপে। কিন্তু দেশে করোনা রুখতেই লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র।

সমগ্র দেশকে করোনা সংক্রামণের বিচারে বেশ কয়েকটি জোনে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। রয়েছে রেড জোন, অরেঞ্জ জোন, গ্রিন জোন। প্রথম দুই দফার তুলনায় কিছুটা শিথিলতা রয়েছে অরেঞ্জ ও গ্রিন জোনে। কিন্তু রেড জোনেও রয়েছে কিছু পরিষেবা।

প্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদনকারী সংস্থাগুলিকে (চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধ) রেড জোনে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

রেড জোনে, আইটি হার্ডওয়্যার উত্পাদনকারী সংস্থা ও পাট শিল্পের সাথে প্যাকেজিং সামগ্রীর প্রস্তুতকারীদের কাজ করার অনুমতি মিলেছে, তবে প্রয়োজনীয় সতর্কতা মেনে চলতে হবে।

রেড জোনে শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা দিতে পারবে ই-কমার্স সাইটগুলি। প্রাইভেট অফিসে কাজ শুরু হলে খুব বেশি হলে ৩৩ শতাংশ কর্মী কাজ করতে পারবে।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প