স্টাফ রিপোর্টার, সিউড়ি: মঙ্গলবার মহম্মদবাজার এলাকার তালবাঁধ থেকে উদ্ধার হল প্রচুর বিস্ফোরক। এক খাদান ব্যবসায়ীর গুদাম থেকে জিলেটিন স্টিক ও প্রচুর পরিমানে ডিটোনেটর উদ্ধার হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একজনকে আটক করেছে।

তবে উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর পরিমান বা তার বাজার মূল্য কত তা পুলিশ সূত্রে জানানো হয়নি। তবে পাথর খাদান এলাকায় এই ধরনের বিস্ফোরক উদ্ধার হওয়া কোনও বড় ঘটনা নয় বলেই জামাচ্ছেন পুলিশ আধিকারিকেরা৷ কিন্তু মহম্মদবাজারের তালবাঁধ এলাকায় কি করে ও কেন এই বিস্ফোরক মজুত করা হল তা নিয়ে চিন্তায় প্রশাসন।

মঙ্গলবার তালবাঁধের আল আমিন ঘোষের গোডাউনে হানা দেয় মহম্মদবাজার থানার পুলিশ। পাথর ব্যবসায়ী আমিনের গোডাউন ভাড়া নিয়েছিলেন পরেশ ঘোষ। যিনি স্থানীয় ডামরা গ্রামের কাছে সেনবাঁধা গ্রামের বাসিন্দা। এদিন বেলা এগারোটা নাগাদ পরেশ ঘোষের হেফাজতে থাকা এই গুদামে পুলিশ হানা দিয়ে বিস্ফোরক উদ্ধার করে। পুলিশ সূত্রে খবর গুদাম থেকে ১৮ হাজার ডিটোনেটর, ৮ হাজার জিলেটিন স্টিক ও ১০০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট উদ্ধার করা হয়৷

গত জুন মাসে কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে এক জোড়া বিস্ফোরক ভরতি ট্রাক বাজেয়াপ্ত করে মহম্মদবাজার থানার পুলিশ। ভোর রাতে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক থেকে পাথর খাদানে যাওয়ার পথে ট্রাকটি আটক করা হয়৷ পুলিশের দাবি বিস্ফোরনের তীব্রতা বাড়াতে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ব্যবহার হয়।

এদিন উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক ফরেনসিক তদন্তের জন্য কলকাতা পাঠানো হবে বলে জেলা পুলিশ কর্তারা জানান। পাশাপাশি ওই এলাকায় আরও কোথাও বিস্ফোরক মজুত আছে কিনা তার তল্লাসি শুরু করেছে পুলিশ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।