গ্রীষ্মের দাবদাহ যেভাবে বেড়ে চলেছে তাতে সবাইকে ডাক দিচ্ছে পাহাড়। বাঙালির কাছে পাহাড় মানেই বাক্স পেঁটরা গুছিয়ে দার্জিলিং-গ্যাংটক যাত্রা। দৌড় আরও একটু বেশি হলে শিমলা মানালি। কিন্তু একই জায়াগায় বারবার না গিয়ে এই গ্রীষ্মে ঘুরে আসুন মহারাষ্ট্রের আহমেদনগরের হিলফোর্ট হরিশচন্দ্রগড় থেকে। যেমন মনোহর পরিবেশ, তেমনই এই মন্দির জুড়ে রয়েছে বিভিন্ন গোপন রহস্য।

জেনে নিন এই গিরিদুর্গটি সম্পর্কে-

১)পাহাড়ের কোলে রয়েছে হরিশচন্দ্রশ্বেরা মন্দির। সেই মন্দিরের পূর্বদিকে রয়েছে একটি পুকুর। সারা আহমেদনগরের তাপমাত্রা যাই হোক না কেন, এই পুকুরের ধারে কাছে দাঁড়ালে বরফের মত ঠান্ডা অনুভব করতে পারবেন।

২)এই মন্দিরের কেদারেশ্বর গুহায় প্রবেশ করলে একটি ৫ ফুট লম্বা শিবলিঙ্গ দেখতে পাবেন। কিন্তু এই গুহায় সবাই প্রবেশ করতে পারেন না কারণ এখানের জল বরফের মত ঠান্ডা। এই মন্দিরে চারটি স্তম্ভ ছিল। যার অর্থ সত্য যুগ, ত্রেথা যুগ, দ্বর্প যুগ, এবং কলি যুগ। একটি করে যুগ শেষ হয়, আর একটি করে স্তম্ভ ভেঙে পড়ে। বেঁচে আছে শুধু কলি যুগের স্তম্ভটি।

৩)এই স্থানেই রয়েছে কোঙ্কণ পাহাড়। বলা হয় কোঙ্কণ এলাকাকে রক্ষা করে এই পাহাড়। তাই এরকম নাম।

৪)তারামাচি হল এই এলাকার উচ্চতম এলাকা। এখানে দাঁড়িয়ে পুরো নানেঘাট এলাকা দেখা যায়।

৫)মন্দির ঘিরে রয়েছে বিভিন্ন প্রাচীন ভাস্কর্য্য। রয়েছে বহু পুকুরও। এরকমই একটি পুকুর থেকে উৎপত্তি হয়েছে মঙ্গলগঙ্গা নামের একটি নদীর।