আজ কালকার দিনে একটার বেশী ব্যাংক অ্যাকাউন্ট প্রায় সব মানুষের রয়েছে। তবে সেই সকল অ্যাকাউন্ট একসঙ্গে ব্যবহার করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। যে কারণে অনেক সময়েই অব্যবহার্য ব্যাংক অ্যাকাউন্টের জন্য ব্যাঙ্ক চার্জ কেটে থাকে গ্রাহকদের থেকে।

এই সমস্যার জন্য অতিরিক্ত সেই সকল ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে চান অনেকেই। নিয়ম অনুসারে কোন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যদি ১২ মাস বা তার অধিক সময় ধরে ব্যবহার না হয়ে থাকে সেই সকল অ্যাকাউন্টকে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়।

ব্যাংক মূলত গ্রাহকদের লেনদেন সংক্রান্ত সকল তথ্য পেয়ে থাকে তাদের ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড বা অনলাইন লেনদেনের থেকে। কিন্তু ব্যাংক যদি কোন কারণ বশত কোনও তথ্য না পেয়ে থাকে তার মানে বুঝতে হবে গ্রাহকদের অ্যাকাউন্ট নিস্ক্রিয় করা হয়েছে। তাই সেই সকল অ্যাকাউন্ট কিভাবে বন্ধ করতে হবে এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক

১. অ্যাকাউন্ট থেকে সব টাকাপয়সা তুলে নিতে হবে। ২. স্থানীয় ব্যাংকের শাখা অফিসে গিয়ে জানাতে হবে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার বিষয়ে। ৩. অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার ফর্ম ফিল আপ করতে হবে। ৪. অন্য কোন সেভিংস অ্যাকাউন্ট যেখান থেকে গ্রাহক তার লেনদেন চালাতে চান তার বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। ৫.ডি লিঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফর্ম ফিল আপ করে জমা করে কার্ড, ইএমআই, রেকারিং ডিপোসিট এবং অন্যান্য সকল লেনদেন সংক্রান্ত বিষয় বন্ধ করতে ব্যাংক জানাতে হবে। ৬. কিছু ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার ক্ষেত্রে সামান্য কিছু চার্জ নিতে পারে। তবে সেই হার নির্ভর করে বিভিন্ন ব্যাংকের উপরে। ৭. চেক বই, এটিএম কার্ড, ক্রেডিট কার্ড সব জমা করতে হবে ৮. কেওয়াইসি নথি জমা করতে হবে

আরবিআই এর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ সংক্রান্ত নিয়ম-

১. ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধের ক্ষেত্রে সেই অর্থে কোন নিয়ম নেই আরবিআইয়ের তরফে। ২. কোন ব্যাংকের ক্ষেত্রে হয়ত কিছু সার্ভিস চার্জ দিতে হতে পারে ৩. আরবিআইয়ের মতে ব্যাংক এক্ষেত্রে খুব সামান্য অর্থই চার্জ হিসেবে নিতে পারে ৪. কোন রকম পেনাল্টি চার্জ দেওয়ার দরকার পরে না। কেবলমাত্র ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার না করার জন্য সামান্য চার্জ করতে পারে

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট চালু রাখার ক্ষেত্রে মাসে বা বছরে একবার হলেও নির্দিষ্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে লেনদেন করা জরুরি নাহলে সেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি নিস্ক্রিয় হয়ে পড়ে।