নয়াদিল্লি : ভারতের বাজারে আসতে চলেছে নতুন করোনা টিকা। এই নিয়ে তৃতীয় টিকা হাতে পাবেন ভারতীয়রা। দেশের বিশেষজ্ঞ প্যানেল Drugs Controller General of India (DCGI) ছাড়পত্র দিল রাশিয়ার স্পুটনিক ভি-কে। খুব তাড়াতাড়ি ভারতের বাজারে দেখা মিলবে স্পুটনিক ভি করোনা ভ্যাকসিনের।

জানা গিয়েছে, ভারতে এই টিকা ব্যবহারের জন্য প্রস্তাব রেখেছিল হায়দরাবাদের ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ডক্টর রেড্ডিস ল্যাবরেটরি। কেন্দ্র সরকারের কাছে স্পুটনিক ভি ব্যবহারের অনুমোদন চাওয়া হয়েছিল। সেই আবেদনে সাড়া দিয়েই স্পুটনিক ভি-কে ব্যবহার করার ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্র।

উল্লেখ্য, ভারতে স্পুটনিক ভি ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালাচ্ছিল ডক্টর রেড্ডিস। এজন্য তারা রাশিয়ার ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (আরডিআইএফ)-এর সঙ্গে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে গাঁটছড়া বাঁধে।

ডক্টর রেড্ডিস রাশিয়া ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (‌আরডিআইএফ)‌–এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ভারত সহ অন্যান্য দেশে স্পুটনিক ভি-কে নিয়ে এসেছে। রাশিয়া, ভারত ও আমেরিকাতে এই ভ্যাকসিনের তৃতীয় ট্রায়াল সম্পন্ন হয়েছে। ল্যানসেট জার্নাল অনুসারে রাশিয়ার কোভিড–১৯ ভ্যাকসিন ৯১.‌৬ শতাংশ কার্যকারিতা দেখিয়েছে।

এর আগে, ট্রায়ালের তথ্য বর্তমানে ভারতীয় নিয়ামক সংস্থার কাছে দেওয়া হয়। এর পরেই ফার্মটি আশা প্রকাশ করে যে আগামী কিছু সপ্তাহের মধ্যে অনুমোদন পেয়ে যাবে স্পুটনিক ভি। সেই আশা বাস্তবায়িত হতে চলেছে। ভারত, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, ভেনেজুয়েলা ও বেলারুশে তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চালানো হচ্ছে। স্পুটনিক ভি-এর ওয়েবসাইটে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ভারতে করোনার যে মাস ভ্যাকসিনেশন চলছে তাতে ব্যবহার করা হচ্ছে সেরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ড ও ভারত বায়োটেকের কোভ্যাকসিন। এবার সেই তালিকায় নাম লেখাতে চলেছে রাশিয়ার স্পুটনিক ভি ভ্যাকসিন।

গোটা বিশ্বের ৫৯টি দেশে স্পুটনিক ব্যবহার করা হয়েছে। প্রায় ১.৫ বিলিয়ন মানুষের ওপর এটি প্রয়োগ করা হয়েছে। এর কার্যকারিতা ৯১.৬ শতাংশ বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। জানা গিয়েছে স্পুটনিক ভি সংরক্ষণ করতে গেলে প্রয়োজন ১৮-২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা। এই ভ্যাকসিনের এক ডোজের দাম পড়বে ভারতীয় মুদ্রায় ৫০০ টাকা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.