বেঙ্গালুরু: দলীপ ট্রফিতে গোলাপি কোকাবুরা বলে দিন-রাতের ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে চেতেশ্বর পূজারার। ২০১৬-১৭ মরশুমে দলীপ ট্রফিতে পূজারাই ছিলেন সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী। গোলাপি বলে একটি ডাবল সেঞ্চুরিও করেছেন পূজারা। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকেই টিম ইন্ডিয়ার নির্ভরযোগ্য তারকা মনে করেন যে গোলাপি বলে দিন রাতে টেস্টে ভারতীয় ক্রিকেটারদের বিশেষ অসুবিধার মধ্যে পড়তে হবে না। তবে পূজারা এও বলেন যে, মাঝের সেশনে প্রতিপক্ষ বোলারদের সামলানো চ্যালেঞ্জের হয়ে দাঁড়াবে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের কাছে।

পূজারার কথায়, ‘দিনের আলোয় গোলাপি বলে ব্যাট করা এমন কিছু অসুবিধার নয়। রাতের আলোতেও খুব বেশি অস্বস্তিতে পড়তে হবে না ব্যাটসম্যানদের। তবে দিনের শেষে কৃত্রিম আলোর টুইলাইট পরিস্থিতিতে বল দেখা একটু সমস্যার হয়ে দাঁড়াতে পারে। সেই সময়টায় ব্যাট করাই সবচেয়ে চ্যালেঞ্জের। দিনের ওই সময়টায় সতর্ক থাকতে হবে ব্যাটসম্যানদের।’

চেতেশ্বর আরও বলেন, ‘আমি ঘরোয়া ক্রিকেটে গোলাপি বলে দিন-রাতের ম্যাচ খেলেছি। সেটা একটা দারুণ অভিজ্ঞতা ছিল। সেই অভিজ্ঞতা অবশ্যই কাজে লাগবে টেস্টে।’

টিম ইন্ডিয়ার সহঅধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানেও মনে করেন যে, গোলাপি বলের সঙ্গে মানিয়ে নিতে ভারতীয় ক্রিকেটারদের বিশেষ অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে রাহুল দ্রাবিড়ের তত্ত্বাবধানে গোলাপি বলে অনুশীলনের ফাঁকে রাহানে বলেন, ‘এটা একটা নতুন চ্যালেঞ্জ। ম্যাচের সময় পরিস্থিতি কেমন থাকবে তা জানা নেই।তবে মনে হয় গোলাপি বলে দুটো-তিনটে প্রাক্টিস সেশন পেলেই ক্রিকেটারদের মানিয়ে নিতে বিশেষ অসুবিধা হবে না। ম্যাচের আগে পর্যাপ্ত অনুশীলন করলে গোলাপি বলের ব্যবহার ও আচরণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলেই আমার বিশ্বাস।’

রাহানে এও জানান যে, একেবারে শেষ মুহূর্তে শট নেওয়া এবং শরীরের যত কাছাকাছি সম্ভব বল খেলাটা কার্যকরী হয়ে দেখা দিতে পারে দিন-রাতের টেস্টে। পূজারা ছাড়া হনুমা বিহারী, ময়াঙ্ক আগরওয়াল ও কুলদীপ যাদব গোলাপি বলে দিন-রাতের ম্যাচ খেলেছেন দলীপ ট্রফিতে। মহম্মদ শামি ইডেনে দিন-রাতের একটি ক্লাব ম্যাচ খেলেছেন গোলাপি বলে। চিন্নাস্বামীতে রাহানে ও পূজারা ছাড়াও গোলাপি বলে অনুশীলন করছেন মহম্মদ শামি, ইশান্ত শর্মা, ময়াঙ্ক আগরওয়াল, রবীন্দ্র জাদেজারা।