নয়াদিল্লি:  ভোট পরবর্তী সমীক্ষায় জয়জয়কার বিজেপির। সমীক্ষা বলছে ৩০০-এরও বেশি আসন পেয়ে ফের ক্ষমতায় আসছেন নরেন্দ্র মোদীই। কিন্তু এই সমীক্ষা সম্পূর্ণ গুজব বলে কার্যত উড়িয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পালটা ইভিএমে যাতে কোনও কারচুপি কেউ না করতে পারে সেজন্যে কর্মীদের নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। এই অবস্থায় যখন ইভিএমে কারচুপি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন বিরোধীরা, সেই সময় ভোট গণনাতে নিরাপত্তায় কোনও খামতি রাখতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন। কড়া ব্যবস্থার মধ্যে ভোট গণনা হবে তা কার্যত পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

তবে বিরোধীরা বুথ পরবর্তী সমীক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও উচ্ছ্বসিত গেরুয়া শিবির। এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি জানিয়েছেন, দেশের সবক’টি সংবাদমাধ্যমই ফের কেন্দ্রে মোদী সরকারের প্রত্যাবর্তনেরই ইঙ্গিত দিয়েছে। এরপরে আর কোনও সন্দেহের কারণ থাকতে পারে না বলেই মনে করেন অর্থমন্ত্রী। আশা করছি, এক্সিট পোলের সঙ্গে আগামী ২৩ মে’র ফলাফলের মিল হবে। তিনি আরও বলেন, যদি ২০১৪ সালের ফলাফলের পুনরাবৃত্তি এক্সিট পোলে দেখা যায়, তাহলে বুঝতে হবে গণতন্ত্র রয়েছে দেশে। ভোটাররা জাতীয় স্বার্থকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছেন। যখন অনেক মানুষ একটি বিষয়কে মাথায় রেখে এক দিকে এগিয়ে যায়, তখনই ঝড় তৈরি হয়।

কংগ্রেসের খারাপ ফলের ইঙ্গিত সম্পর্কে জেটলির পর্যবেক্ষণ, গান্ধী পরিবারই কংগ্রেসের পরিণতির জন্য দায়ী। এই পরিবারটির রাজত্ব কংগ্রেসের উপর থেকে না সরলে দলের ভরাডুবি কেউ বাঁচাতে পারবে না। গান্ধী পরিবারকে বাদ দিলে তবেই কংগ্রেসের জনসমর্থন ফিরবে। রাহুল গান্ধীর নাম না করে তিনি বলেন, নেতা যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্বাচিত হয়। পরিবারের নামে হয় না।

প্রসঙ্গত, সপ্তম দফার নির্বাচনের পর এক্সিট পোলে ইঙ্গিত মিলেছে, দ্বিতীয়বারের জন্যে ফের দেশের মসনদে বসতে চলেছে মোদী সরকার। শুধু ফিরছে না, বিরাট সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই কেন্দ্রের ক্ষমতায় আবার আসতে চলেছে বিজেপি সরকার। যদিও এই এক্সিট পোল নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীর।