লখনউ, সুমন ভট্টাচার্য: ‘জয় শ্রী রাম’ সম্বোধনের ভাষা, আমরা এটা কারোর ওপর চাপিয়ে দিচ্ছি না, কলকাতা ২৪x৭ কে এক্সক্লুসিভ ভাবে এমনটাই জানালেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। পাশাপাশি তাঁর বক্তব্য “পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসছে বিজেপিই।

‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান নিয়ে অনর্থক জলঘোলা করা হচ্ছে বলে সাফ জানিয়ে দিলেন যোগী আদিত্যনাথ। একইসঙ্গে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য আমরা ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান কারও উপর চাপিয়ে দিচ্ছি না। তাঁর কথায় ‘এটা আসলে একটা সম্বোধনের উপায়, এটা আমাদের অনেকদিনের অভ্যেস, এই নিয়ে অযথা বিতর্ক তৈরি করার কোন কারণ নেই’।

সোমবার লক্ষ্ণৌতে নিজের বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পরিস্কারই জানিয়ে দেন, তিনি আশাবাদী যে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসতে চলেছে। এবং দল বললে তিনি পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী প্রচারেও যাবেন। আইন শৃঙ্খলা থেকে শিল্প টেনে আনায় উত্তরপ্রদেশ তাঁর শাসনকালে কতটা এগিয়ে গিয়েছে তা ব্যাখ্যা করার পাশাপাশি তিনি গত তিন বছরে নিজের সরকারের পারফরমেন্সও বিশদে বলেন।

উত্তরপ্রদেশের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে নিয়ত যে যোগী সরকারকে বিঁধা হয়, সেটা মনে করিয়ে দেওয়া হলে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যে রাজ্যে এক সময়ে প্রতি সপ্তাহে দুটি করে দাঙ্গা হতো, সেখানে এখন কোথায় দাঙ্গা হয়? বরং হিন্দু, মুসলিম, খ্রীষ্টানরা নিজেদের উৎসব শান্তিতে পালন করেন। যোগী আদিত্যনাথের যে ভাবমূর্তি সেটা বজায় রেখেই তিনি দাবি করেন, উত্তরপ্রদেশের আইন শৃঙ্খলা তিন বছর আগেও যেখানে ছিল, তার থেকে অনেক এগিয়ে গিয়েছে।

গোরক্ষপুর মঠের মহন্ত, যিনি আজ উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী, সেই যোগী আদিত্যনাথ মনে করিয়ে দেন যে পাঁচশো বছরের রাম জন্মভূমি বনাম বাবরি মসজিদ বিতর্ক আজ আর নেই, বরং অযোধ্যায় রামমন্দির তৈরি হতে চলেছে এবং অযোধ্যা আগামী দিনে দেশের অগ্রগন্য তীর্থক্ষেত্রে পরিণত হবে। যোগী আদিত্যনাথের আশা আগামী দিনে অযোধ্যকে কেন্দ্র করে তীর্থযাত্রী এবং পর্যটকদের যে ঢল নামবে, তা উত্তরপ্রদেশের উন্নয়নে সাহায্য করবে।

উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যে ক্রমশ সর্বভারতীয় রাজনীতিতেও বিজেপির মুখ হয়ে উঠছেন, সেটা তাঁকে মনে করিয়ে দেওয়া হলে তিনি স্বযত্নে সে প্রশ্ন এড়িয়ে বলেন, ‘হায়দ্রাবাদ হোক কিংবা কলকাতা যেখানেই দল তাঁকে পাঠাবে, তিনি অবশ্যই প্রচারের জন্য যাবেন’।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।