নয়াদিল্লি: ভারত-চিন সীমান্ত সংঘাত নতুন করে উসকে গিয়েছে। তাই খুঁজে দেখা হচ্ছে ইতিহাস। উনবিংশ শতাব্দীর শেষের এবং বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের চিনের মানচিত্র খুঁজে দেখা গিয়েছে আকসাই চিন ১৯৬২ সালের যুদ্ধের আগে লাদাখেরই অংশ ছিল।

আকসাই চিন নিয়ে ১৯১৯ সালের তিব্বতের একটি মানচিত্রের উল্লেখ টেনে প্রাক্তন লেফট্যানেন্ট জেনারেল গুরমিত সিং বলেছেন, ‘ভারতের ধারণার সঙ্গে সহমত’।

ইণ্ডিয়া টুডে’র তরফে ১৮৯৩ এবং ১৯০৯ সালের অন্য মানচিত্র খুঁজে দেখা হয়েছে। ভারত-চিনের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সীমান্ত সংঘাত এবং কূটনৈতিক চাপের মাঝেই এমন তথ্য উঠে আসছে।

সম্প্রতি, ভারত-চিন সেনা লাদাখের পূর্ব এবং সিকিমের উত্তরাংশে মুখোমুখি খন্ডযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। পাশাপাশি, তাইওয়ানের সদ্য নির্বাচিত নেতাকে বিজেপি সাংসদের পাঠানো অভিনন্দন বার্তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।

এদিকে, ভারত-চিন সীমান্ত সংঘাতে মধ্যস্থতা করতে চেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দু’পক্ষ চাইলে তিনি সমস্যা মেটাতে উদ্যোগ নিতে তৈরি বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রস্তাবে সায় নেই চিনের। ভারতের সঙ্গে সীমান্তের সমস্যা মেটাতে কারও হস্তক্ষেপ প্রয়োজন নেই বলে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে জবাব দিয়েছে বেজিং।

ঠিক এরপরেই ট্রাম্প জানিয়েছেন, চিনের সঙ্গে সাম্প্রতিক ঘটনায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভালো মুডে নেই। মধ্যস্থতার প্রস্তাবের ঠিক পরেরদিনই এমন মন্তব্য করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

যদিও সূত্রের খবর, মোদী এবং ট্রাম্প এপ্রিলের শুরুর দিকে শেষবারের মতন কথা বলেছিলেন এবং সম্প্রতি চিনের সীমান্ত সংক্রান্ত কনপ আলোচনা হয়নি।

এরইমধ্যে বিরোধিদের রোষানলে পরেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এ প্রসঙ্গে টুইটে মোদী সরকারের উদ্দ্যেশ্যে রাহুল গান্ধীর প্রশ্ন, ‘ভারত-চিন সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ে সরকার নীরব। এই নীরবতা বড় কোনও বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছে না তো?’

এছাড়াও, মোদীর প্রাক্তন প্রচার উপদেষ্টা প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে জানিয়েছেন, “আমরা আমাদের সব চিন্তা ভূলে যেতে পারি যেহেতু ভারত সত্যি বিশ্বস্তরে পৌঁছে গিয়েছে। এখন আমাদের কাছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আছেন যিনি আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুড কেমন আছে তা বিশ্বকে জানান”।

স্বাভাবিকভাবেই চিন-ভারত সংঘাত নতুন করে রাজনীতিতে হাওয়া দিয়েছে। প্রশ্ন উঠছে অস্বচ্ছ ভূমিকায়।

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV