পাটনা: নির্বাচনে কামড়া কামড়ি লড়াইয়ের পর পূর্ণ সংখ্যা গরিষ্ঠতার ১২২টি আসনের চেয়ে মাত্র তিনটি আসনে বেশি এনডিএ। তারা সরকার গড়েছে বিহারে। সংখ্যালঘু হয়েও মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার হবেন তা স্থির। অন্যদিকে বিরোধী মহাজোটের মহা বৈঠক ঘিরে সরগরম বিহার। পাটনায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবড়ি দেবীর বাসভবনে মহাজোট বৈঠকে কোন্দল স্পষ্ট।

www.kolkata24x7 সেই বৈঠকের আলোচনার কিছু জানতে পেরেছে। বিশেষ সূত্রে খবর, এদিন বৈঠক শুরু হতেই সিপিআই(এম-এল) তথা ‘মালে’ সাধারণ সম্পাদক প্রবল ক্ষোভে ফেটে পড়েন। মহাজোটের মূল নেতা তেজস্বী যাদবের নীরবতা আরও বিতর্ক উসকে দেয়। জোটের অপর শরিক কংগ্রেসকে তুলোধনা করেন ‘মালে’ প্রধান দীপঙ্কর ভট্টাচার্য।

তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেস হাল্কা চালে ভোটে অংশ নিয়ে নিজেকে এবং জোটের প্রবল ক্ষতি করেছে। এর খেসারত দিতে হবেই। বিহারের ভোটে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ফল করেছে শাসক এনডিএ শরিক বিজেপি।

আর বিরোধী মহাজোটের শরিক সিপিআই(এম-এল) সহ বামদলগুলি। ২৯টি আসনে লড়ে বামেরা ১৬টি আসন পেয়েছে। মহাজোটের তিন বাম দলের সাফল্যে দেশ জুড়ে আলোচনা চলছে। এদের মধ্যে সিপিআই(এম-এল) একাই ১৩টি আসন পেয়েছে।

দীপঙ্কর ভট্টাচার্য সরাসরি কংগ্রেস কে নিশানা করেন। তাঁর অভিযোগ, জোটের তরফে ৭০টি আসন নিয়ে মাত্র ১৯টি আসনে জয়ী হয়ে কংগ্রেস নিজেকে টিকিয়ে রাখার প্রয়াসে সফল। কিন্তু জোটের ক্ষমতা দখলের পথে বাধা। সূত্রের খবর, সিপিআই(এম-এল) সুপ্রিমোর তীব্র আক্রমণের সময় কংগ্রেস ও আরজেডি নেতৃত্ব নীরব ছিলেন।

দীপঙ্করবাবুর অভিযোগের জবাবে কংগ্রেসের তরফে অখিলেশ সিং দাবি করেন, আরজেডি এমন আসন বরাদ্দ করেছিল যেখানে জয়ের সম্ভাবনা ছিল না। তবুও কংগ্রেস লড়েছে। সাংবাদিকদের কাছে ক্ষোভ উগরে দিয়েই বৈঠকে অংশ নেন সিপিআই(এম-এল) সুপ্রিমো। তিনি বৈঠক কক্ষের বাইরেই জোট শরিক কংগ্রেস কে তুলোধনা করতে থাকেন।

বলেন, কংগ্রেসের স্ট্রাইক রেট যতটা খারাপ তার চেয়ে আরজেডি ও বাম দলগুলি আরও বেশি আসনে লড়াই করলে সরকারে আসা নিশ্চিত ছিল। ৭০টি আসন নিয়ে কংগ্রেসের ফলাফল রীতিমতো হতাশা জনক। জানা গিয়েছে বৈঠকে দীপঙ্করবাবুর প্রবল আক্রমণে বাকিরা প্রায় গুটিয়েই ছিলেন।

এমনকি বিহারের সর্বাধিক আসন পাওয়া আরজেডি নীরব ছিল। সূত্রের আরও খবর,আরজেডি দলনেতা তেজস্বী যাদব ধীরে চলো নীতি নিয়েছেন। প্রতিপক্ষ এনডিএ পদক্ষেপ দেখে চলেছেন।

এই নির্দেশ এসেছে তাঁর পিতা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবের কাছ থেকে। মহাজোটের মুখিয়া রাঁচিতে বন্দি। পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির মামলায় বন্দিত্ব থেকে মুক্তি পেতে লাগাতার আইনি লড়াই চালাচ্ছেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.