স্টাফ রিপোর্টার, তমলুক : গত ১১ বছর ধরে নেহেরু যুব কেন্দ্রের সহায়তায় পূর্ব মেদিনীপুরের প্রতিযোগীদের নিয়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়৷ জেলা থেকে বেশি সংখক প্রতিযোগী রাজ্য ও জাতীয় স্তরের নানা প্রতিযোগিতায় যাতে অংশগ্রহনের সুযোগ পায় তার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ৷

ব্লকে ব্লকে প্রতিযোগীদের উৎসাহদান ও খেলার বিকাশের লক্ষ্যে নেহেরু যুব কেন্দ্রের সহায়তায় তমলুকের বল্লুক হাট মাঠে অনুষ্ঠিত হল ব্যাডমিন্টন, ফুটবল, কবাডি ও খো খো প্রতিযোগিতা। গত ২৫ শে জানুয়ারী থেকে ২৭ শে জানুয়ারী পর্যন্ত চারটি বিভাগের প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়।

তমলুকের বল্লুক আমরা কজন সংস্থা গত ১১ বছর ধরে প্রতিযোগিতাগুলো আয়োজন করে৷ গত ২৫ জানুয়ারি ১৬টি দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা। সেই প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে হাউর ব্লক আর দ্বিতীয় হয়েছে চিত্রা। প্রথম স্থান দখলকারিদের হাতে জার্সি সেট, ট্রফি সহ ৫০০ টাকা এবং দ্বিতীয় স্থান দখলকারিদের জার্সি সেট, ট্রফি সহ ৩০০ টাকা তুলে দেওয়া হয়৷

২৬ শে জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় ৮ দলীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা। ম্যাচে ২/১ গোলে জয়লাভ করে বরনান একাদশ এবং পরাজিত হয় নোনাকুড়ির ভোরের আলো। জার্সি সেট, ট্রফি সহ প্রথমকে ১৫০০ টাকা ও দ্বিতীয়কে ১০০০ টাকা দেওয়া হয়। ২৭ শে জানুয়ারি অর্থাৎ প্রতিযোগিতার শেষদিনে দুটি খেলা অনুষ্ঠিত হয়। সেই দুটি খেলা মধ্যে একটি হল মেয়েদের খো খো প্রতিযোগিতা।

৮ টি দল নিয়ে প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম স্থান অধিকার করে বল্লুক এবং দ্বিতীয় পাঁশকুড়া। পাশাপাশি ছেলেদের ৪ টি দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় কবাডি প্রতিযোগিতা। দুটি প্রতিযোগিতাতেই প্রথমদের জার্সি সেট, ট্রফি সহ ১৫০০ টাকা এবং দ্বিতীয়দের জার্সিসেট, ট্রফি সহ ১০০০ টাকা তুলে দেওয়া হয়। পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, নেহেরু যুব কেন্দ্রের আধিকারিক তরুণ কুমার মন্ডল, জেলা পরিষদের সদস্যা মামণি জানা, শহিদ মাতঙ্গিনী পঞ্চায়েত সমিতির খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ জয়দেব বর্মন, বল্লুক-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শরৎচন্দ্র মেটা সহ অন্যান্যরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I