সঞ্জয় কর্মকার, পূর্ব বর্ধমান: আরব সাগর তীরে গোয়ায় মু়খোমুখি বাংলার চির প্রতিদ্বন্দ্বী ইষ্টবেঙ্গল-মোহনবাগান। ফের ফুটবল জ্বরে কাঁপছে গোটা বাংলা। ফুটবলপ্রেমী ঘটি-বাঙালের পুরনো ইতিহাস ঘাঁটাঘাঁটিও শুরু হয়েছে।

আগামী ২৭ নভেম্বর গোয়ায় ইষ্টবেঙ্গল-মোহনবাগান মুখোমুখি হওয়া নিয়ে বেটিং চক্রেরও আশংকা গোটা রাজ্য জুড়েই। সতর্কতা অবলম্বন করেছে পুলিশ । এই মারকাটারি ফুটবল প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনায় ফুটছে বর্ধমান শহর।

সামাজিক দূরত্ব ও কোভিড-১৯ নির্দেশিকা মেনে বর্ধমান শহরের নীলপুরের জাগরণী সংঘের মাঠে ২৭ তারিখ ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের লাইভ খেলা বিনামূল্যে দেখানো হবে জায়ান্ট স্ক্রিনে। মাস্ক বিতরণ করা হবে, স্যানিটাইজিং-এর ব্যবস্থা থাকবে বলে জানিয়েছেন, ‘ইস্টবেঙ্গল ইন বর্ধমান’ (বর্ধমান ইস্টবেঙ্গল ফ্যান ক্লাব) এর দুই সদস্য সুমন দাস ও প্রদ্যুৎ সাহা । তাঁরা জানিয়েছেন, যেহেতু ইস্টবেঙ্গল প্রথম আই এস এল খেলছে তাই গোটা বর্ধমান শহরে পোস্টার, প্ল্যাকার্ড-এর মাধ্যমে শুভেচছা বার্তা দেওয়া হবে।

২৬ তারিখ রাতের মধ্যে এগুলো লাগানোর কাজ শেষ হবে। কোভিড-১৯ সতর্কতা মেনে জাগরনীর মাঠের এরিয়া বেশি করে নেওয়া হচ্ছে। ৬০ জন বসার ব্যবস্থা থাকবে। সেখানে সদস্য এবং আমন্ত্রিতরাই ঢুকতে পারবেন। যেহেতু খোলা জায়গায় হচ্ছে পথচলতি মানুষজনও দাঁড়িয়ে দেখতে পারবেন।

অপরদিকে, পূর্ব বর্ধমান মেরিনার্স (মোহনবাগান ফ্যান ক্লাব)-এর সদস্য অয়ন দত্ত, সায়ন দত্ত, প্রিয়ব্রত চ্যাটার্জি প্রমুখরা জানিয়েছেন, শহরের বীরহাটায় নক্ষত্র হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে জায়েন্ট স্ক্রিনে কোভিড-১৯ নিয়ম মেনে লাইভ খেলা দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। ১৫০ টাকা কুপন মূল্যে থাকছে ওয়েলকাম ড্রিংক, স্ন্যাকস, কফি, প্যাকেট ডিনার।

সতর্কতা হিসাবে কোভিড-১৯-এর জন্য জেতার পর কোনও সেলিব্রেশন হবে না। গত ২০ তারিখ মোহনবাগানের প্রথম ম্যাচ পাড়াপুকুরে আর. এ. ইউ. সি. ক্লাবের মাঠে বিনামূল্যে জায়েন্ট স্ক্রিনে দেখান হয়েছে। ২৭ তারিখ যেহেতু ডার্বি তাই দর্শক বেশি হবে। সেই কারণে নক্ষত্রকে বেছে নেওয়া হয়েছে।

বর্ধমান পুরসভার ক্রীড়া বিভাগের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল অপূর্ব দাস জানিয়েছেন, ইন্ডয়ান সুপারলিগ এখন দেশের এক নম্বর ফুটবল টুর্নামেন্ট। এই টুর্নামেন্টে একমাত্র কলকাতা শহর থেকে দুটো দল খেলছে। এটা সম্ভব হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আই এস এল টুর্নামেন্টে কমিটির চেয়ারপার্সন নীতা আম্বানির উদ্যোগে। এস সি ইস্টবেঙ্গলকে আই এস এলে যুক্ত করায় কলকাতার দুটো দল ডার্বিতে।

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মধ্যে এই ডার্বিকে ঘিরে ব্যাপক উদ্দীপনা। দুদলের সমর্থকরাই চাইছেন আই এস এল-এর প্রথম সাক্ষাতে তাদের দলই জিতবে। দর্শনকহীন মাঠে গোয়ায় খেলা হচ্ছে। ২৭ তারিখ দেশের কোনও ফুটবল টুর্নামেন্টে এতমানুষ টিভিতে খেলা দেখবে সেটা দেশে একটা নজির সৃষ্টি হবে। এবং লাল-হলুদ কিংবা সবুজ-মেরুন যারাই জিতুক এই জয় বাংলার ফুটবলের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।