শরীরচর্চার অনেকগুলো ভালো দিক রয়েছে। নিয়মিত শরীর চর্চা যেমন বাড়তি ওজন কমাতে সাহায্য করে, তেমনই ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে শরীরচর্চার কোনো বিকল্প নেই। শরীরচর্চা শারীরিক স্বাস্থ্য রক্ষার পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষা করতেও সাহায্য করে। দীর্ঘ এক বছর ধরে এই মহামারীর সময় কালে বিভিন্ন ভাবেই আমরা জানতে পেরেছি যে নিয়মিত শরীরচর্চা করোনার প্রভাব অনেকটাই কমাতে সাহায্য করে।

সম্প্রতি দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার কাইসার পার্মানেন্টতে ফর্টানা মেডিক্যাল সেন্টার, ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ও অন্য কিছু প্রতিষ্ঠানের গবেষক ও চিকিৎসকদের দ্বারা সম্পূর্ণ হওয়া এক গবেষণা রিপোর্ট সামনে এসেছে। ব্রিটিশ জার্নাল অফ স্পোর্টস মেডিসিন এ প্রকাশিত সেই গবেষণা রিপোর্টে প্রমাণ সহ দাবি করা হয়েছে যে নিয়মিত শরীরচর্চা কোভিড আক্রমণকে অনেকটাই লাঘব করে দেয়।

প্রায় ৫০,০০০ SARS-CoV2 আক্রান্ত ক্যালিফোর্নিয়ার অধিবাসীদের মধ্যে এই গবেষণা চালানো হয়েছে। এই গবেষণায় কোথাও উল্লেখ করা হয়নি যে শরীরচর্চা করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে, বরং বলা হয়েছে যে নিয়মিত বেশ কিছু নির্দিষ্ট এক্সারসাইজ করলে করোনা আক্রান্ত হলেও গুরুতর অসুস্থ হওয়ার প্রবণতা অনেক কমে যায়।

গবেষণায় গবেষকরা দেখেছেন যে করোনা আক্রান্তের মধ্যে যারা নিয়মিত শরীরচর্চা করতেন তাদের সেই রকম কোনো দৈহিক ক্ষতি হয়নি বা তাদের কেউ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েনি। অথচ যাঁরা নিয়মিত শরীরচর্চা করতেন না তাদের অনেকেরই অসুস্থতা ছিল গুরুতর। এরপরই এমন সিদ্ধান্তে আসেন গবেষকরা।

যদিও এই গবেষণা থেকে এতা কোনোভাবেই প্রমাণিত হয় না যে নিয়মিত শরীরচর্চা করোনার আগ্রাসন থেকে মুক্তি দিতে পারে। বরং এই গবেষণা থেকে এই ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে নিয়মিত শারীরিক কসরত করোনাতে কাবু হওয়ার প্রবণতা কমালেও কমাতে পারে। আর তাছাড়া নিয়মিত শরীরচর্চা শরীরকেও চাঙ্গা রাখে। সুস্থ থাকতে তো আমরা কত কিছুই করে থাকি, তাই করোনা রোধে নিয়মত শরীর চর্চা করার এই প্রয়াস চেষ্টা করে দেখা যেতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.