স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: পরীক্ষার নিয়মে একগুচ্ছ বদল আনছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ। লকডাউনের পর বিশ্ববিদ্যালয় খুললে ফ্যাকাল্টি কাউন্সিলে সেই প্রস্তাব পেশ করবে পরীক্ষা কমিটি। সেখানে এই প্রস্তাবগুলি মান্যতা পেলে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পেশ করা হবে এগজিকিউটিভ কাউন্সিলের বৈঠকে।

এতদিন প্র্যাক্টিক্যাল ও লিখিত মিলিয়ে ১০০ নম্বরে পরীক্ষা হলেও, পরীক্ষার্থীদের আলাদা করে দু’টিতেই পাশ করতে হতো। ধরা যাক, প্র্যাক্টিক্যালে ৩০ এবং লিখিত পরীক্ষায় ৭০ নম্বর বরাদ্দ আছে। এক্ষেত্রে কোনও পরীক্ষার্থীকে পাশ করতে হলে দুটি পরীক্ষাতেই আলাদা আলাদাভাবে ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হয়। এবার সেই নিয়মেই বদল আনতে চাইছে কমিটি। তাদের প্রস্তাব অনুযায়ী, এবার দুটি পরীক্ষা মিলিয়েই ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। অর্থাৎ, কাউকে পৃথকভাবে দু’টি ক্ষেত্রে ন্যূনতম নম্বর তুলতে হবে না। ফলে দু’টি মিলিয়ে পাশ করা তুলনায় অনেকটা সহজ হবে বলেই মনে করছে কমিটি।

প্রথম বর্ষে অভিন্ন সিলেবাসের উপর পরীক্ষা দেন পড়ুয়ারা। তাতে ছ’টি পেপার থাকে। এতদিন কেউ ছ’টি পেপারে ফেল করলেও তাঁকে পরের বর্ষে উত্তীর্ণ করে দেওয়া হতো। পরবর্তী সময়ে প্রথম বর্ষের পরীক্ষার সময় সেই অনুত্তীর্ণ পেপারগুলির পরীক্ষা দিতেন সংশ্লিষ্ট পড়ুয়া। কিন্তু কমিটি চাইছে, প্রথম বর্ষে অন্তত তিনটি পেপারে পাশ করতেই হবে পরীক্ষার্থীদের। নাহলে একজন ছাত্র বা ছাত্রীকে পরের বর্ষে উত্তীর্ণ করা হবে না। কমিটির মতে, এতে বোঝা কম হবে ছাত্রছাত্রীদের। এই প্রস্তাবের উপর পড়ুয়াদের মতামত নেওয়া হবে।

এবিষয়ে সহ উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য বলেন, “এ নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় খুললে ফ্যাকাল্টি কাউন্সিলে আলোচনা করা হবে।”

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ