বার্সেলোনা: বার্সাগেট কান্ডে গ্রেফতার বার্সেলোনা সভাপতি জোসেপ মারিয়া বার্তোমিউকে গ্রেফতারের পর মঙ্গলবার ছেড়ে দিল কাতালোনিয়া পুলিশ। পদের অপব্যবহার এবং ব্যবসায়িক দুর্নীতির অভিযোগে সোমবার বার্সেলোনার প্রাক্তন সভাপতি জোসেপ বার্তোমিউ এবং তাঁর প্রাক্তন উপদেষ্টা জমি ম্যাসফেরারকে গ্রেফতার করে কাতালোনিয়া পুলিশ।

বার্তোমিউ এবং ম্যাসফেরার ছাড়াও সোমবার একই কান্ডে গ্রেফতার করা হয়েছিল বার্সেলোনা সিইও অস্কার গ্রাউ এবং লিগ্যাল সার্ভিস ডিরেক্টর রোমান গোমেজ পন্টিকে। যদিও এই দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর গতকালই ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। বার্সেলোনা কোর্টের তরফ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এদিন বিচারকের সামনে বার্সাগেট কান্ডের তদন্তে ‘রাইট নট টু স্পিক’ অস্ত্র প্রয়োগ করেন বার্তোমিউ এবং ম্যাসফেরার। এরপরই বিচারক তাদের শর্তাধীন সাময়িক নিষ্কৃতি প্রদান করেন তবে তদন্ত জারি থাকবে।

উল্লেখ্য, ২০১৪-২০২০ কাতালোনিয়া ক্লাবে তাঁর মেয়াদকালে ব্যবসায়িক দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন বার্তোমিউ। মে ২০২০ বার্সাগেট কান্ডের তদন্ত গতি পায়। এরপরই ক্লাবে ক্রমশ কোণঠাসা হয়ে পড়ছিলেন পূর্বতন প্রেসিডেন্ট। অবশেষে অক্টোবরে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেন তিনি। মেয়াদকালে ক্লাবে নিজের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে এবং ক্লাবের তারকা ফুটবলারদের নামে কুৎসা বা অপপ্রচার চালানোর জন্য আইথ্রি নামক এক মার্কেটিং এজেন্সির সঙ্গে বেআইনি রফা করেছিলেন বার্তোমিউ। এই সময়কালে ক্লাবের আর্থিক কোষাগারে ব্যাপক পরিমাণে তছরুপের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে।

এমনকি ওই এজেন্সিকে ক্লাবের ফুটবলারদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিটি মনিটরিং’য়ের কাজেও নিয়োগ করা হয়েছিল। মূলত বার্তোমিউও’য়ের বিরুদ্ধে কথা বলা প্রাক্তন এবং বর্তমান ফুটবলাররাই ছিল এই এজেন্সির লক্ষ্যবস্তু। ২০২০ ফেব্রুয়ারিতে কাতালোনিয়ার এক সংবাদপত্র প্রথমবার ব্যাপক আকারে বিষয়টি সামনে আনে। নিজের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে এবং প্রাক্তন তারকাদের নামে কুৎসা রটানোর জন্য আইথ্রির সঙ্গে বার্তোমিউ’য়ের এই গাঁটছড়া প্রকাশ্যে আসে। মেসির সঙ্গে চুক্তি সংক্রান্ত জটিলতা এবং মেসির বার্সা ছাড়ার কারণের পিছনে এই ঘটনাই দায়ী।

উল্লেখ্য, চলতি মরশুমের শুরুতে মেসির বার্সেলোনা ছাড়ার বিষয়টি একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে গেলেও চুক্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন গেরোয় আর্জেন্তাইনের অন্য ক্লাবে যাওয়ার বিষয়টি আটকে দেন বার্তোমিউ। ঘটনায় প্রাণাধিক প্রিয় ক্লাবের বিরুদ্ধে একসময় যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন মেসি। পরে মেসির বাবা আসরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।