বারুইপুর: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বেসামাল বাংলা। ভোটের বাংলায় লাগামছাড়া সংক্রমণ। গোটা রাজ্যের পরিস্থিতি নতুন করে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়িয়েছে। শহর কলকাতার পাশাপাশি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে জেলাগুলিতেও। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় এবার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে কড়া অবস্থান পুলিশের। পুলিশের তরফে মাস্ক পরা ও কোভিড প্রোটোকল মেনে চলার ব্যাপারে প্রচার চলছে। সচেতনতামূলক এই প্রচারের সঙ্গেই চলছে মাস্ক বিলি। মাস্ক ছাড়া বাড়ির বাইরে বেরোলে এবার পুলিশ গ্রেফতারও করতে পারে।

মাত্রাছাড়া সংক্রমণ রাজ্যে। করোনার সেকেন্ড ওয়েভ তাণ্ডব চালাচ্ছে বাংলায়। একদিনে প্রায় ৭ হাজারের কাছাকাছি সংখ্যায় মানুষ নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন রাজ্যে। মৃত্যু হয়েছে ২২ জনের।
বৃহস্পতিবার সন্ধেয় রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, একদিনে নতুন করে রাজ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৭৬৯ জন। এই মুহূর্তে রাজ্যে করোনা অ্যাক্টিভ কেস ৩৬ হাজার ৯৮১। একদিনে রাজ্যে করোনার বলি ২২। সব মিলিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০ হাজার ৪৮০ জন।

গোটা রাজ্যের মধ্যে সংক্রমণের শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। বৃহস্পতিবার সন্ধেয় রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, একদিনে কলকাতায় করোনা আক্রান্ত ১৬০০-এর বেশি। শুধু কলকাতাতেই একদিনে করোনার বলি ৭ জন। কলকাতার পরেই সংক্রমণের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। একদিনে এই জেলায় করোনা আক্রান্ত ১৩৫৪ জন। তারপরেই রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা।

করোনা ছড়াচ্ছে কলকাতা লাগোয়া এই জেলাতেও। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে আরও সক্রিয় দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পুলিশ। করোনা নিয়ে সচেতনতামূলক প্রচার চলছে জেলাজুড়ে। প্রত্যেককে মাস্ক পরার ব্যাপারে সচেতন করা হচ্ছে। পুলিশের তরফে জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় চলছে মাস্ক বিলি কর্মসূচি। মাস্ক ছাড়া বাড়ির বাইরে পা রাখলে এবার পুলিশ গ্রেফতারের মতো কড়া পদক্ষেপ করতে পারে বলে জানা গিয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় নির্বাচন মেটার পর থেকে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি করোনার প্রকোপ রাজপুর-সোনারপুর পুরসভা এলাকাতে। চলতি মাসে সাড়ে তিনশোর বেশি মানুষ এই এলাকায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.