লন্ডন: সংযুক্তি সময়ে জর্ডান হেন্ডারসনের গোলটি বাতিল না হলে খেলার ফলাফল অন্যরকম হতেই পারত। কিন্তু ভিএআরে দেখা যায় ইঞ্চিখানেকের অফসাইডে দাঁড়িয়ে বল ধরেছেন সাদিও মানে। সেনেগাল উইঙ্গারের বাড়ানো বল থেকেই হেন্ডারসন গোল করায় তা বাতিল বলে গণ্য হয়। কিন্তু এরপরেও গোল বাতিল নিয়ে বিতর্কের অবকাশ থেকেই যাচ্ছে। গোলটি বাতিল হওয়ায় শনিবাসরীয় লিভারপুল ডার্বি শেষ হল ২-২ গোলে।

সবমিলিয়ে গুডিসন পার্কে উত্তেজক এভার্টন-লিভারপুল উত্তেজক লড়াই অমিমাংসিতই রইল। ডার্বির পাশাপাশি এদিন লড়াই ছিল দুই দলের কোচ কার্লো অ্যান্সেলোত্তি এবং জুর্গেন ক্লপের মগজাস্ত্রেরও। হেন্ডারসনের গোল বাতিল ছাড়াও ম্যাচের শুরুর দিকে এভার্টন গোলরক্ষক পিকফোর্ড লিভারপুল ডিফেন্ডার ভার্জিল ভ্যান ডাইককে জঘন্য ফাউল করার পরেও লাল কার্ড না দেখায় বিতর্ক মিশে রয়েছে। এদিন পিকফোর্ডের জঘন্য ফাউলে আহত হয়ে ১১ মিনিটে মাঠ ছাড়েন ডাচ ডিফেন্ডার।

যদিও তার আগেই এদিন অ্যাওয়ে ম্যাচে লিড নিয়ে নিয়েছিল গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। ৩ মিনিটে অ্যান্ডি রবার্টসনের বামপ্রান্তিক ক্রস থেকে লিভারপুলকে এগিয়ে দেন স্যাদিও মানে। এরপর আহত ভ্যান ডাইকের বদলি হিসেবে মাঠে নামেন জো গোমেজ। পক্ষান্তরে এভার্টন পেনাল্টি হজম না করায় তাদের ভাগ্যবান বলতেই হবে। ১৯ মিনিটে জেমস রডরিগেজের কর্নার গোল পরিশোধ করেন মাইকেল কিন। এরপর লিভারপুলের বেশ কিছু প্রচেষ্টা পিকফোর্ডের দস্তানায় আটকে গেলে ১-১ অবস্থায় বিরতিতে যায় দুই দল।

৭২ মিনিটে এভার্টন বক্সে রিবাউন্ড হওয়া বল বাঁ-পায়ের জোরালো ভলিতে জালে পাঠিয়ে লিভারপুলকে এগিয়ে দেন সালাহ। কিন্তু সেই লিড ধরে রাখতে পারেনি লিভারপুল। ৮১ মিনিটে নিজেকে উচ্চতার শীর্ষে নিয়ে গিয়ে ডিগনের ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে গোল করেন চলতি মরশুমে দুরন্ত ছন্দে থাকা কালভার্ট লুইন। ৯০ মিনিটে রিচার্লিসন লাল কার্ড দেখলেও ফলাফলের কোনও পরিবর্তন হয়নি। সংযুক্তি সময়ে হেন্ডারসনের গোল বাতিল হওয়ায় পয়েন্ট ভাগ করেই মাঠ ছাড়ে দুই পড়শি ক্লাব।

সপ্তম পর্বের দশভূজা লুভা নাহিদ চৌধুরী।