কলকাতা : নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যেই আজ রাজ্যে ষষ্ঠ দফার নির্বাচনী প্রচারের ঝড় তুলবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। এরই মধ্যে পঞ্চম দফার নির্বাচনের মধ্যেও রাজ্যে ষষ্ঠ দফার  নির্বাচনী প্রচারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

করোনা বিধি মেনে বাকি চার দফার নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার এই কারণে সর্বদলীয় বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। কলকাতা হাই কোর্টে করোনা বিধি মেনে নির্বাচন হচ্ছে না বলে একটি মামলা হয়। সেই মামলার জেরে কমিশনকে সর্বদল বৈঠক করার জন্য বলে কলকাতা হাই কোর্ট। সেই অনুযায়ী কমিশন শুক্রবার সর্বদলীয় বৈঠক করে।

এই বৈঠকের পর কমিশনের তরফে জানানো হয় সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সব রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী সভা ও মিছিল শেষ করতে হবে। শুধু পঞ্চম দফা নয়, সবকটি দফার ৭২ ঘণ্টা আগে বন্ধ করতে হবে নির্বাচনী প্রচার। এই বিধি মেনেই প্রকার করতে হবে সবকটি রাজনৈতিক দলকে। আর এরই মধ্যে পঞ্চম দফার নির্বাচনের দিন রাজ্যে প্রচারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

এদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজ্যে সভা করতে আসা ও বাইরের থেকে প্যান্ডেল তৈরির লোক আনার জন্যই করোনা ছড়াচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কেন নির্বাচনের দিন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজ্যে প্রচারে আসবেন? ৭২ ঘণ্টা আগে প্রচার বন্ধ করার যে নির্দেশ নির্বাচন কমিশন দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্বাচনের দিন প্রচারে আসার জন্য সেই নির্দেশ মান্যতা পাচ্ছে না। কারণ রাজ্যের যেখানে ভোট হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর প্রচারে সেখানে ভোটাররা প্রভাবিত হন। ককরণ প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ টিভিতে দেখানো হয়। ফলে যেখানে ভোট হচ্ছে সেখানকার ভোটাররা প্রভাবিত হন। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই অভিযোগের পরও পঞ্চম দফার নির্বাচনের দিন ষষ্ঠ দফার নির্বাচনের প্রচারের জন্য আসানসোল ও গঙ্গারামপুরে নির্বাচনী সভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রচারে আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.