বুয়েনস আইরস: ক্লাব ফুটবলে বার্সেলোনার হয়ে তিনি সর্বেসর্বা। কিন্তু জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপালেই মেসি আর মেসিতে থাকেন না। প্রত্যাশার ফানুস চুপসে দিয়ে অনুরাগীদের বারবারই হতাশ করে লিও’র পারফরম্যান্স। তাই জাতীয় দলের জার্সিতে তাঁকে মাঠে দেখতে অনীহা দেশবাসীর। একইসঙ্গে হতাশ এবং ক্ষুব্ধ লিও তাই জানালেন একারণে তাঁর বছর ছয়েকের পুত্রসন্তান থিয়াগোর কাছেও তাঁকে জবাবদিহি করতে হয়।

শুক্রবার দেশীয় একটি রেডিও স্টেশনে এলএম টেন জানান, ‘তোমায় দেশের জার্সি গায়ে কেন দেখতে চায় না ওরা? একাধিকবার আমায় এমন প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করেছে থিয়াগো।’ এককথায় জাতীয় দলে খেলার প্রশ্নে ঘরে-বাইরে প্রশ্নবাণে বিদ্ধ আর্জেন্তাইন তারকা ফুটবলারকে। মেসির কথায়, ‘ইউ টিউবে নানান ভিডিও ঘেঁটে থিয়াগো আমায় প্রশ্ন করে কেন ওরা তোমার খেলা দেখতে চায় না?’

আরও পড়ুন: ওয়ার্নারকে ম্যাচ জয়ের যাবতীয় কৃতিত্ব দিলেন রাহানে

ফুটবল বিশ্বকাপে দেশের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সাময়িক বিরতিতে যান মেসি। কিন্তু ৮ মাস পর দেশের জার্সি গায়ে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ফুটবলে তাঁর ফিরে আসার ম্যাচে ভেনেজুয়েলার কাছে ১-৩ গোলে বিধ্বস্ত হতে হয় আর্জেন্তিনাকে। খারাপ পারফরম্যান্সের কারণে ফের সমালোচনার তীর বর্ষিত হয় লিওকে উদ্দেশ্য করে। সেই ম্যাচে চোটও পেয়ে বসেন বার্সেলোনা তারকা। মরক্কোর বিরুদ্ধে পরবর্তী ফ্রেন্ডলিতে মেসিকে ছাড়াই জয় পায় আর্জেন্তিনা।

আরও পড়ুন: ইস্টবেঙ্গলকে টোকেন তুলে দিলেন জবি

এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মেসি জানান, ‘অনেকের নিষেধ সত্ত্বেও জাতীয় দলের হয়ে আমি খেলা চালিয়ে যেতে চাই। জাতীয় দলের হয়ে খেতাব জিততে চাই।’ ক্লাব ফুটবলে তারকা ফুটবলারদের পাশে পেয়ে স্বমহিমায় ভাস্বর হয়ে ওঠেন মেসি। কিন্তু আন্তর্জাতিক ফুটবলে তাঁর খারাপ পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশায় বারংবার সুর চড়িয়েছে দেশীয় সংবাদমাধ্যমও।

আরও পড়ুন: জোড়া শতরানেও জয় হাতছাড়া পাকিস্তানের

মেসির কথায়, ‘সমর্থকেরা আমায় দুশ্চরিত্র বলতেও পিছপা হয় না। কিন্তু হতাশ হই এই ভেবে যে তারা আমার পরিবারের মত। দিন-দিন আমায় নিয়ে মিথ্যে খবর পরিবেশন হওয়ায় আমি ক্লান্ত।’