প্রতীকি ছবি

কলকাতা: এখনই খুলছে না কলকাতার মসজিদগুলি। মসজিদগুলি আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইমামদের সংগঠন। মসজিদ চালুর ব্যাপারে সরকারি নির্দেশের ব্যাখ্যা পুরোপুরিভাবে পাওয়া গেলে তারপর এবিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ইমামদের সংগঠন।

মসজিদ চালু করার ব্যাপারে ইমামদের সংগঠনের এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছে টিপু সুলতান মসজিদ ও নাখোদা মসজিদ কমিটি। অনেকের মতেই, এখনই মসজিদ খুলে দেওয়া ঠিক হবে না। ইমামদের সংগঠনের তরফে চেয়ারপার্সন মহম্মদ ইয়া জানিয়েছেন, সরকারি সিদ্ধান্তকে তাঁরা স্বাগত জানাচ্ছেন। তবে করোনা মোকাবিলায় কয়েক মাস ধরে বড়িতেই নমাজ পাঠ করছেন তাঁরা।

বর্তমানেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। সেই কারণেই আরও কিছুদিন যদি বড়িতেই নমাজ পাঠ করতে হয় তবে তাঁরা তাই করতে চান। তড়িঘড়ি কোনও সিদ্ধান্ত নিয়ে বিপদজ ডেকে আনতে চান না তাঁরা। এমনকী এব্যাপারে সব ইমামদের কাছেই সুস্পষ্ট মতামত জানতে চেয়েছেন ইমামদের সংগঠনের তরফে চেয়ারপার্সন। রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতির কথা ভেবে আপাতত কোনওরকম জমায়েত এড়িয়ে চলতে তিনি আবেদন জানিয়েছেন ইমামদের কাছে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ১ জুন থেকে রাজ্যের সব ধর্মীয় স্থানগুলি খুলে দেওয়া হবে। ১০ জন করে সেখানে ঢুকতে পারবেন। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণা সত্ত্বেও এখনই মসজিদ খুলে দেওয়ার ব্যাপারে আপত্তি রয়েছে ইমামদের সংগঠনের।

শুধু মসজিদই নয়, মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা সত্ত্বেও রাজ্যের মন্দিরগুলিও এখনই চালু করার ব্যাপারে আগ্রহী নয় মন্দির কমিটিগুলি। দক্ষিণেশ্বর মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, মন্দিরে সুরক্ষাজনিত সব ব্যবস্থা করতে তাঁদের আরও সময় প্রয়োজন।
বেলুরমঠ রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন কর্তৃপক্ষও এখনই মঠ তালুর ব্যাপারে আগ্রহী নয়।

সতর্কতামূলক সব ব্যবস্থা করেই মঠ ও মিশন চালুর ব্যাপারে পদক্ষেপ করতে চায় তাঁরা। একই পথে এগোচ্ছে তারাপীঠ মন্দির কমিটিও। মন্দিরে সুরক্ষার সব ব্যবস্থা শেষেই মন্দির খোলার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন তাঁরা।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব