বার্লিন: যত আধুনিক হচ্ছে সমাজ ব্যবস্থা তত দিন ঘনিয়ে আসছে বিভিন্ন প্রজাতির পাখিদের৷ অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে আকাশে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ছে বিষাক্ত হাওয়া৷ এরফলে বিপর্যস্ত হচ্ছে এই সমস্ত পাখীদের জীবন৷ চিন্তিত গোটা বিশ্ব৷ বিশ্বজুড়েই সংকটে পাখি প্রজাতি৷ সেই দৌড়ে পিছিয়ে নেই ইউরোপ৷ গত তিরিশ বছরে জার্মানিসহ ইউরোপ জুড়েই পাখির সংখ্যা ক্রমশ কমে চলেছে৷ এক একটি পাখি প্রজাতিও আজ প্রায় বিলুপ্তের পথে৷

যেকোনও দেশে বাস্তুতন্ত্রের ক্ষেত্রে অন্যান্য প্রাণীদের চেয়েও পাখি খুবই গুরুত্বপূর্ণ৷ পাখির সংখ্যা ক্রমাগত হ্রাস পাওয়ার পিছনে ঠিক কি কারণ রয়েছে সেই বিষয়টি নিয়ে একটি সমীক্ষা করে এনএবিইউ৷ এই তদন্তেই উঠে এসেছে পাখির সংখ্যা কমে আসার বিষয়টি৷ চাষের ফসল বাঁচানোর জন্য কীটনাশক ঔষধের ব্যবহার বহুমাত্রায় বেড়ে গিয়েছে৷ এরফলে পাখির খাদ্য ছোট ছোট পোকা-মাকড় মারা যাচ্ছে৷ আর এর পাশাপাশি ধ্বংস হচ্ছে পাখির প্রজননের স্থানও৷ কীটনাশকের ব্যবহার সম্পর্কে সঠিক পদক্ষেপ না নেওয়ায় জার্মান সরকারের প্রতিই

আরও পড়ুন: চমক! পাখিদের জন্য তৈরি হচ্ছে এই বিমানবন্দর

ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন পাখি সংরক্ষণকারী সংগঠন গুলি৷ পরিবেশ উপযোগী পদ্ধতিতে কৃষিকাজ করলে তা পাখি প্রজাতিকে এভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবেনা৷তবে, কৃষিব্যবস্থাকে সম্পূর্ণভাবে অরগ্যানিক কৃষিতে রূপান্তরিত করা হলে সেটি কৃষিক্ষেত্রে পাখির হ্রাস হওয়ার ঘটনাটিকে কিছুটা হলেও হ্রাস করতে পারবে৷ তবে ইউরোপ জুড়ে পাখি প্রজাতির হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ এই প্রথম নয়৷পাফিন, কারলিউ, নাইটেঙ্গলের মতন বেশ কিছু পাখি আজ বিলুপ্তপ্রায়৷

সৌ: DW.COM

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও