আমস্টারডাম: বিশ্ব জুড়ে মহামারীর তাণ্ড। দরজা বন্ধ করে ঘর বন্দি মানুষ। বাইরে বেরলেও গ্রাস করছে আতঙ্ক। গত কয়েক মাস ধরে এমন জীবনে হাঁপিয়ে উঠেছে মানুষ। এখন শুধু একটাই আশা। তার নাম ভ্যাক্সিন।

বিশ্বের একাধিক দেশে ভ্যাক্সিন বা প্রতিষেধক নিয়ে গবেষণা চলছে। কোনও কোনও গবেষণাগার থেকে আশার কথাও শোনা যাচ্ছে। এরই মধ্যে ইতিবাচক বার্তা দিল ইউরোপিয়ান মেডিসিনস এজেন্সি।

বৃহস্পতিবার ওই এজেন্সির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এক বছরের মধ্যেই অনুমোদন পেয়ে যাবে ভ্যাক্সিন। সব কিছু ঠিক থাকলে ২০২১-এর শুরু থেকেই ভ্যাক্সিন নিয়ে ইতিবাচক খবর আসবে বলে মনে করছে তারা।

সংস্থার ভ্যাক্সিন বিভাগের প্রধান মারকো কাভালেরি বলেন, সপ্টেম্বরের মধ্যে তৈরি হয়ে যেতে পারে ভ্যাক্সিন। তবে আরও কিছুটা সময় হাতে রাখতে চাইছেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, সব ঠিক থাকলে ২০২১-এর শুরুতেই আসবে ভ্যাক্সিন।

এদিকে চিনের গবেষকদের দাবি, চিনা সংস্থা ‘সিনোভ্যাক বায়োটেক’ এই ভ্যাক্সিন তৈরি করেছে। নাম দেওয়া PiCoVacc. আর ওই সংস্থার পরীক্ষাতেই এসেছে ইতিবাচক ফলাফল। ভারতীয় বাঁদরের প্রজাতি ‘রেসাস ম্যাকাকেস’-এর শরীরে এই প্রতিষেধক কাজ করেছে বলে জানা গিয়েছে।

ট্রায়ালের সময়, গবেষকরা ওই প্রজাতির বাঁদরের শরীরে প্রতিষেধক ইনজেক্ট করা হয়েছে। এরপর তাদের শরীরে করোনা সংক্রমণ করানো হয়। তিন সপ্তাহ বাদে তাদের শরীরে করোনা সংক্রমণ হয়। ‘সায়েন্স ম্যাগাজিন’-এ প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, ওই প্রতিষেধক ভাইরাসের অ্যান্টিবডি তৈরি করছে। যা শুধু করোনা নয়, যে কোনও সাধারণ ভাইরাসের সঙ্গেও লড়াই করতে পারে।

গবেষকরা দেখেছেন, যেসব বাঁদরের শরীরে ওই ভ্যাক্সিন দেওয়া হয়েছে তাদের ফুসফুসে করোনা প্রবেশ করতে পারেনি। কিন্তু যাদের ভ্যাক্সিন দেওয়া হয়নি, তাদের কিছুদিনের মধ্যেই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হতে দেখা গিয়েছে।

এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকেই ওই ভ্যাক্সিন তৈরির কাজ করছিল চিনা গবেষকরা। অন্যদিকে চিনের মিলিটারি ইনস্টিটিউটের তৈরি আরও একটি ভ্যাক্সিন পরীক্ষা চলছে মানব শরীরে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।