শুকোতে দেওয়া হয়েছে ভেজা নোট

ভিয়েনা: দানিয়ুব নদীতে এক ঝাঁক মাছের মতো ভাসছিলো বেশ কিছু ইউরোর চকচকে নোট। যা দেখে এক অল্প বয়সী এক ছেলে তখনই জাল নিয়ে নদীতে নেমে পড়ে এবং সাতার কেটে সেগুলো তীরে নিয়ে আসে। তারপর গুনে দেখা যায় ওই ব্যাংক নোটগুলির মূল্য এক লক্ষ ইউরোরও বেশি। স্থানীয় এক পত্রিকা বলছে, নদীর পার দিয়ে হেঁটে যাওয়া কয়েকজন লোক প্রথমে মনে করেছিলো ছেলেটি নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করছে। তাই স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিসকে জানায় ঘটনাটি৷ এরফলে ছেলেটি যখন নোটগুলি বগলদাবা করে তীরে এসে পৌঁছায় ততোক্ষণে সেখানে পৌঁছে গিয়েছে পুলিশ। আর সেই টাকাও আপাতত পুলিশের হাতে। প্রথমে ভাবা হয়েছিল এগুলি জাল নোট, কিন্তু পরে পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে নোটগুলো আসল।  ৫০০ এবং ১০০ ইউরোর নোট ছিল৷ নিজের জীবন বিপন্ন্ করে ওই নোটগুলি জল থেকে তুলেছে বলে পুলিশের কাছে ভাগ চায় ছেলেটি৷ এমনিতে অস্ট্রিয়ায় কেউ যদি অর্থ খুঁজে পান তারপর সেটা পুলিশের কাছে জমা দেওয়া হয় তাহলে তাকে ওই অর্থের ৫ থেকে ১০ ভাগ দেওয়া হয়ে থাকে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, এক বছরের মধ্যে যদি টাকার মালিককে খুঁজে না পাওয়া যায় তাহলে শেষ পর্যন্ত পুরোটা টাকাই এই ছেলেটিকে দিয়ে দেওয়া হবে। আপাতত প্রকৃত মালিকের সন্ধানে রয়েছে পুলিস পাশাপশি তদন্ত করছে এই টাকা গুলি নদীতে এলো কি ভাবে৷ অন্যদিকে ছেলেটি আশায় আশায় দিন গুনছে একবছরের মধ্যে যদি কোনও মালিকের সন্ধান না মেলে এবং ওই টাকার মালিক হওয়া যায়৷

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।