পানাজি: শুক্রবার কেরালা ব্লাস্টার্স বনাম এটিকে-মোহনবাগান ম্যাচ দিয়ে ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে ২০২০-২১ আইএসএলের। ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগানের অন্তর্ভুক্তিতে ইন্ডিয়ান সুপার লিগের সপ্তম সংস্করণ আরও আকর্ষণীয় আরও উত্তেজক। তবে দুই কলকাতা জায়ান্টের অন্তর্ভুক্তি ছাড়াও বিশ্ব দরবারে আইএসএলের গ্রহণযোগ্যতা চলতি মরশুমে বেশ কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে একাধিক ইংলিশ প্রিমিয়র খেলে আসা প্রাক্তন ফুটবলার যোগদান করায়।

লিভারপুলের সর্বকালের তৃতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা রবি ফাওলার কোচ হিসেবে যেমন দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের। তেমনই লিগের বিভিন্ন দলগুলোতে অন্তর্ভুক্তি ঘটেছে ইংলিশ প্রিমিয়র লিগ প্রাক্তনীদের। কোচের পাশাপাশি ইস্টবেঙ্গলে ফুটবলার হিসেবে যোগ দিয়েছেন নরউইচ সিটির প্রাক্তন উইঙ্গার অ্যান্থনি পিলকিংটন। অভিষেক মরশুমে কলকাতা জায়ান্টদের সাফল্যের পিছনে অন্যতম বড় বাজি এই আইরিশ ফুটবলার। নরউইচ সিটিতে পিলকিংটনেরই একদা সতীর্থ গ্যারি হুপারের অন্তর্ভুক্তি ঘটেছে কেরালা ব্লাস্টার্সে।

এছাড়া রিডিং এফসি’র প্রাক্তন স্ট্রাইকার অ্যাডাম লে ফন্ড্রে মুম্বই সিটি এফসি’তে এবং নিউক্যাসেল ইউনাইটেডের জার্সি গায়ে দু’শোরও বেশি ম্যাচ খেলা ডিফেন্ডার স্টিভেন টেলর এসেছেন ওডিশা এফসি’র রক্ষণে ভরসা দিতে। তাই ভারতের মাটিতে আইএসএল জার্নি শুরু করার আগে প্রাক্তনীদের শুভেচ্ছা জানাল ইংলিশ প্রিমিয়র লিগ কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার ম্যাচ শুরুর কয়েকঘন্টা আগে এই সকল ফুটবলারদের প্রিমিয়র লিগে করা গোলের ভিডিও পোস্ট করে ইপিএল লেখে, ‘রবি ফাওলার, অ্যান্থনি পিলকিংটন, অ্যাডাম লে ফন্ড্রে, স্টিভেন টেলর, গ্যারি হুপার। এবারের আইএসএলে প্রিমিয়র লিগের ছোঁয়া অনেকখানি।’

স্বাভাবিকভাবেই প্রিমিয়র লিগের এই পোস্ট ভারতীয় ফুটবল অনুরাগীদের হৃদয় ছুঁয়েছে। একইসঙ্গে বিশ্বের দরবারে আইএসএলের জনপ্রিয়তা বাড়াতেও যে ইপিএলের এই পোস্ট যথেষ্ট সাহায্য করবে, তা বলাই বাহুল্য। এমনিতেই পৃথিবীর ৮০টির’ও বেশি দেশে সরাসরি আইএসএল সম্প্রচারিত হচ্ছে চলতি বছর। সবমিলিয়ে বিশ্বের দরবারে ভারতীয় ফুটবলের মানোন্নয়নে নানাভাবে অগ্রণী ভূমিকা নিচ্ছে আইএসএল।

শুক্রবার প্রথম ম্যাচে রয় কৃষ্ণার একমাত্র গোলে কেরালা ব্লাস্টার্সকে পরাজিত করেছে এটিকে-মোহনবাগান। শনিবার দ্বিতীয় ম্যাচে নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেডের মুখোমুখি অন্যতম ফেভারিট মুম্বই সিটি এফসি।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।