নয়াদিল্লি: এবার থেকে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অরগানাইজেশন ( ইপিএফও) আধার কার্ডে থাকা জন্ম তারিখকে প্রমাণ হিসেবে মান্যতা দেবে। পিএফের‌ কেওআইসির‌ এবং গ্রাহকের জন্মতারিখ সংশোধনের জন্য অনলাইনে যেসব নথি গ্রহণ করা হয় তারমধ্যে আধার কার্ড বৈধ বলে মেনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শ্রম মন্ত্রক।

শ্রম মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে,‌ করোনাভাইরাস যেভাবে এখন গোটা বিশ্বে অতি মহামারীর আকার ধারণ করেছে তাই আরও বেশি সংখ্যক গ্রাহককে অনলাইন মারফত পরিষেবার দেওয়ার কথা ভাবা হয়েছে। সেই কাজের অঙ্গ হিসেবে ইপিএফও-র নথিতে সদস্যদের জন্ম তারিখ যাচাই এবং অথবা সংশোধনের জন্য ‌ ফিল্ড অফিস গুলিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই পদ্ধতিতে তাদের পিএফের ইউনিভার্সাল অ্যাকাউন্ট নম্বর (ইউ এ এন) কে ওয়াই সি এক কিনা নিশ্চিত করা হবে।

ওই বিবৃতিতে শ্রম মন্ত্রক জানিয়েছে, ইপিএফের কোন সদস্য তার জন্মতারিখ সংশোধন করতে চাইলে তিনি তার আধার কার্ডে নথিভুক্ত জন্মদিনটি উল্লেখ করতে পারবেন এবং সেটিকে বৈধ রূপে গ্রহণ করা হবে। তবে এক্ষেত্রে ইপিএফে থাকা জন্ম তারিখ এবং আধারে থাকা জন্ম তারিখের মধ্যে ফারাক যেন তিন বছরের কম হয়। এক্ষেত্রে অনলাইনে জন্ম তারিখের ওই নথি জমা করা যাবে। এক্ষেত্রে ইপিএফও ওই তথ্য ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন ডেভলপমেন্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার (ইউ আই ডি এ আই) মারফত যাচাই করে নেওয়া যাবে।

প্রসঙ্গত, এর আগেই শ্রমমন্ত্রক থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে করোনা ভাইরাসের জন্য যাতে ইপিএফও সদস্যরা এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অরগানাইজেশন থেকে নন রিফান্ডেবল অগ্রিম বাবদ টাকা তুলে নিতে পারে।ওই বিজ্ঞপ্তি মারফত ইপিএফ স্কিম ১৯৫২ সংশোধন করে অনুমতি দেওয়া হয়েছে তিন মাসের মূল বেতন এবং ডিএ অথবা সদস্যের ইপিএফ আকাউন্টে জমা থাকা অংকের ৭৫ শতাংশ যেটা কম তা এই মহামারী অথবা অতি মহামারীর কারণে তুলে নিতে পারা যাবে।

সপ্তম পর্বের দশভূজা লুভা নাহিদ চৌধুরী।