নয়াদিল্লি: এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (ইপিএফও) এবারে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখল ৮.৫ শতাংশে। বৃহস্পতিবার ইপিএফও সিদ্ধান্ত নিয়েছে অর্থ বর্ষ ২০২০-২১ এর জন্য় সদস্য় জমা অর্থের উপর ৮.৫ শতাংশ হারে সুদ দেওয়া হবে । এদিন শ্রীনগরে ইপিএফও-এর শীর্ষ থাকা সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ট্রাস্টি সিদ্ধান্ত নিয়েছে ২০২০-২১ সালের জন্য পিএফে সুদের হার ৮.৫ শতাংশ রাখার। প্রসঙ্গত এই সিদ্ধান্ত এমন সময় নেওয়া হল যখন নানা মহলে রটেছিল করোনা মহামারিতে জর্জরিত দেশের অর্থনীতি হওয়ায় এই অর্থবর্ষের জন্য এই ক্ষেত্রে সুদের হার কমানো হবে । বর্তমানে দেশের মানুষকে যখন পেট্রোল ডিজেল এবং রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধির মুখোমুখি হচ্ছে তখন যদি আবার  প্রভিডেন্ট ফান্ডের সুদের হার কমত তাহলে সেটা অবশ্য  ইপিএফও সদস্য়দের কাছে হত দুঃসংবাদ।

২০২০তে শেষ হওয়া অর্থবর্ষে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন -এর আয় অনেকটাই ধাক্কা খেয়ে ছিল। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে ইপিএফও ট্রাস্টি বোর্ডের অন্যতম এক সদস্য সুদ কমানো ইঙ্গিত দিয়েছিল।  যদিও বৃহস্পতিবার সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ট্রাস্টি সিদ্ধান্ত তেমন কোনও সিদ্ধান্ত না নিয়ে বরং একই হার বহাল রাখল।

এর আগে সরকার ঘোষণা করেছিল ২০১৯-২০ সালের জন্য ৮.৫ শতাংশ হারে সুদ দেওয়া হবে। এই বিষয়ে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ট্রাস্টি  জানিয়েছিল এই ৮.৫ শতাংশ সুদ পাওয়া যাবে দুই কিস্তিতে ৩১ মার্চ অর্থবর্ষ শেষ হওয়ার আগে। এর ৮.১৫ শতাংশ সুদ লগ্নি থেকে এবং ০.৩৫ শতাংশ ইকুইটি থেকে পাওয়া যাবে।

২০২০ অর্থবর্ষে ইপিএফ সুদের হার ছিল ৮.৫ শতাংশ যা ছিল সাত বছরে সর্বনিম্ন। এর আগে ২০১৩ সালে ইপিএফ এ সুদের হার ছিল ৮.৫ শতাংশ। এর ঠিক আগের বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালে যে অর্থবর্ষ শেষ হয় সেবার সুদের হার ছিল ৮.৬৫ শতাংশ। ২০১৮ সালের অর্থবর্ষে ইপিএফও সুদের হার অফার করেছিল ৮.৫৫ শতাংশ। যেখানে তার আগে ২০১৬ সালে সুদের হার ছিল ৮.৮ শতাংশ এবং ২০১৪ সালে অংকটা ছিল ৮.৭৫ শতাংশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।