নয়াদিল্লি: কেন্দ্র যতই অবস্থার উন্নতি হচ্ছে বলে দাবি করুক না কেন, করোনা সংকটের জেরে এদেশের অর্থনীতির বেহাল দশা এখনো আদৌ কাটেনি। যার প্রতিফলন পাওয়া গেল অক্টোবর মাসের এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন বা ইপিএফও-এর তথ্য থেকে।

দেখা গিয়েছে এই উৎসবের সময়ে ইপিএফে অর্থ জমা করা নথিভুক্ত সংস্থার সংখ্যা ৩০,০০০ কমে গিয়েছে। পাশাপাশি ওই মাসে এর আওতায় থাকা১৮ লক্ষ কর্মী সংখ্যা কমতে গিয়েছে। এমন তথ্য দিচ্ছে একটি সর্ব ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।

লকডাউন শুরু হওয়ার পর মে মাস ছাড়া অন্য কোন মাসে এত সংখ্যক সংস্থা এবং কর্মী সংখ্যা কমে যেতে দেখা যায়নি।

অর্থাৎ কেন্দ্রের পক্ষ থেকে অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতিও ছোট মাঝারি সংস্থাগুলি আবার পুরনো ছন্দে ফিরছে বলে যে দাবী করা হচ্ছিল তাকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিল এই তথ্য। ওই প্রতিবেদন অনুসারে সেপ্টেম্বর মাসে ৪ ,৭৬,৮০,০০ কর্মীর জন্য ইপিএফও তে অর্থ জমা পড়েছিল।

সেখানে অক্টোবর মাসে অর্থ জমা পড়েছে ৪,৫৮,২০,০০০ কর্মীর জন্য ।অর্থাৎ প্রায় ১৮ লক্ষ কর্মীর জন্য অর্থ জমা পড়েনি। যেমন সেপ্টেম্বর মাসে ইপিএফও নথিভূক্ত সংস্থা সংখ্যা ছিল ৫,৩৪,৮৬৯ সেটাই অক্টোবর মাসে কমে গিয়ে হয়েছে ৫,০৪,০৪৪।

অর্থাৎ ৩০ হাজারের বেশি ইপিএফ নথিভূক্ত সংস্থা সংখ্যা কমে গিয়েছে। এমন পরিসংখ্যান দেখে অনেকের মনে হয়েছে এটা অর্থনৈতিক সংকোচনের প্রতিফলন।

আবার কেউ কেউ মনে করছেন সংস্থাগুলি আপাতত খরচ কমাতে ইপিএফ অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দিচ্ছেন না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।