নয়াদিল্লি: করোনা মহামারী সংকটকালে যাতে পেনশন হোল্ডারদের কোনও অসুবিধা না হয় তার জন্য উদ্যোগ নিল এমপ্লয়িজ‌ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (ইপিএফও)। সোমবার ইপিএফও নির্দেশ দেয় যেন পেনশন হোল্ডাররা তাদের মাসিক পেনশন সময়মতো পেয়ে যান।

ইপিএফও প্রতিমাসে ৬৫ লক্ষ পেনশনহোন্ডারকে পেনশন দেয়। বর্তমানে করোনাভাইরাস মহামারী আকার ধারণ করায় দেশের বিভিন্ন স্থানে লক ডাউন ঘোষণা হয়েছে। শ্রম মন্ত্রক বিবৃতি মারফত জানিয়েছে,এই পরিস্থিতিতে যেন পেনশন হোল্ডারদের কোনও রকম হয়রানি না হয় তার জন্য সেন্ট্রাল প্রভিডেন্ট ফান্ড কমিশনার ইপিএফও ফিল্ড অফিসারদের নির্দেশ দিয়েছেন। এইজন্য তারা যেন ২৫ মার্চের মধ্যে কার কত কি পাওনা সেই সবসব কাজ ঠিকঠাক সেরে ফেলেন।

এইজন্য কমিশনার নির্দেশ দিয়েছেন, ব্যাংকের কাছে যেন আগেভাগেই মাসিক পেনশন বাবদ যা পাঠানোর তা পাঠিয়ে দেওয়া হয়। যাতে পেনশন হোল্ডারদের সময়মতো তা হাতে পেতে কোন ও অসুবিধা না হয়।

ইপিএফও তিনটি সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প চালায়, সেগুলি যথাক্রমে-ইপিএস, এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড এবং ডিপোজিট লিংক ইনসিওরেন্স। ইপিএফ এর অধীনে রয়েছে ছয় কোটি সদস্য।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।