নয়াদিল্লি: করোনা ভাইরাসকে আটকাতে চলতে ধাকা লকডাউনের সময় ছয় লক্ষ সংস্থা এবং পাঁচ কোটি সদস্যদের স্বস্তি দিতে জানানো হল মার্চ মাসের ইপিএফের পেমেন্ট ১৫ মে পর্যন্ত দেওয়া যাবে। মার্চ মাসের ইপিএফ কন্ট্রিবিউশনের টাকা ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত দেওয়া যেত। এবার সেই সময়সীমা বাড়িয়ে ১৫ মে করলো এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন।

শ্রমমন্ত্রকের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, করোনাভাইরাস যাতে না ছড়ায় তার জন্য ২৪ মার্চ মধ্যরাত
থেকে সরকার লকডাউন ঘোষণা করেছে। এমন অপ্রত্যাশিত অবস্থার কথা চিন্তা করে ২০২০ সালের মার্চ মাসে ইলেকট্রনিক চালান কাম রিটার্ন (ইপিআর) ফাইলিংএর সময়সীমা বাড়িয়ে ১৫ মে করা হল। এমনিতে ওই সময় সীমা ছিল ১৫ এপ্রিল অর্থাৎ ৩০ দিনের অতিরিক্ত সময় দেওয়া হল।

শ্রম মন্ত্রক এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেইসব সংস্থার কথা চিন্তা করে যাদের কর্মীদের পিএফের টাকা জমা দিতে হয় আর যাতে এই সময় তাদের সহায়তার করা যায়। প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনা উদ্দেশ্য মাথায় রেখেই এমন পদক্ষেপ যাতে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় কর্মসংস্থান এবং কর্মীদের আয়ের ক্ষেত্রে ব্যাঘাত না ঘটে। এর সুবিধা পাবে ছয় লক্ষ প্রতিষ্ঠান।

এক্ষেত্রে সংস্থা কর্তৃপক্ষ শুধুমাত্র তা পেমেন্ট করার জন্য অতিরিক্ত সময় পাচ্ছেন তা নয়, দেরিতে দেওয়ার জন্য এক্ষেত্রে কোন রকম সুদ বা জরিমানা দিতে হবে না যদি তারা ১৫মে মধ্যে এই পেমেন্ট করে দেয়। তবে এক্ষেত্রে যেন মার্চ মাসের বেতন কর্মীদের দেওয়া হয়ে থাকে।

প্রসঙ্গত, এই সংকটের সময় বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কেন্দ্র। এর আগেই শ্রমমন্ত্রক থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে করোনা ভাইরাসের জন্য যাতে ইপিএফও সদস্যরা এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অরগানাইজেশন থেকে নন রিফান্ডেবল অগ্রিম বাবদ টাকা তুলে নিতে পারে।

ওই বিজ্ঞপ্তি মারফত ইপিএফ স্কিম ১৯৫২ সংশোধন করে অনুমতি দেওয়া হয়েছে তিন মাসের মূল বেতন এবং ডিএ অথবা সদস্যের ইপিএফ আকাউন্টে জমা থাকা অংকের ৭৫ শতাংশ যেটা কম তা এই মহামারী অথবা অতি মহামারীর কারণে তুলে নিতে পারা যাবে।

আবার সরকার লক্ষ্য রাখছে যাতে ৭২ ঘন্টার কম সময় এই টাকা তোলার আবেদন মঞ্জুর করার দিকটা । আর সেটা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যেই ইপিএফও কর্তৃপক্ষ ফিল্ড অফিসগুলিকে নির্দেশ পাঠিয়েছে। তাছাড়া এই পরিস্থিতিতে প্রভিডেন্ট ফান্ড (ইপিএফ) -এ কেন্দ্র জমা করেছে এক হাজার কোটি টাকা।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।