মোতেরা: পেস-স্পিনের মিলিত আক্রমণে পিঙ্ক বল টেস্টের প্রথম সেশনেই ইংল্যান্ডকে চেপে ধরল টিম ইন্ডিয়া। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং নিয়ে এদিন প্রথম টেস্টের মত রানের পাহাড়ে চড়ার বার্তা দিয়েছিলেন ইংরেজ অধিনায়ক জো রুট। কিন্তু তৃতীয় ওভারে শূন্য রানে ইশান্ত জ্যাক ক্রলিকে ফেরানো থেকেই সেই সম্ভাবনা ফিকে হওয়া শুরু। এরপর চা-বিরতির আগে স্পিনের ছোবলে আর তিন উইকেট হারাল ইংরেজরা। প্রথম সেশনে ইংল্যান্ডের রান ৪ উইকেট হারিয়ে ৮১।

টস জিতে মোতেরায় এদিন প্রথমে ব্যাটিং’য়ের সিদ্ধান্ত নেন জো রুট। দলে চারটি পরিবর্তন আনা ইংল্যান্ড দলনায়ক বলেন, তিনি পিচের চরিত্র সম্পর্কে অবগত নন। তবে শুষ্ক পিচে বল টার্ন করবে। একইসঙ্গে চিপকে প্রথম টেস্টের মতই প্রথমে ব্যাট করে বড় রান তোলার বার্তা দেন রুট। কিন্তু ম্যাচের তৃতীয় ওভারেই ছন্দপতন। মাইলস্টোন ম্যাচে বিপক্ষ শিবিরকে প্রথম ধাক্কাটা দিলেন ইশান্ত শর্মা।

দ্বিতীয় স্লিপে রোহিত শোর্মার হাতে ধরা পড়লেন ডম সিবলে। একই পথের পথিক সিরিজে প্রথমবার খেলতে নামা জনি বেয়ারস্টো। বেয়ারস্টো শূন্য রানে ফিরলেন অক্ষর প্যাটেলের স্পিনে ঠকে গিয়ে। এরপর আরেক ওপেনার জ্যাক ক্রলি এবং অধিনায়ক জো রুটের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় ছিল ইংরেজরা। জোড়া ধাক্কা সামলে দলের ইনিংসকে ভালই টানছিলেন এই দুই ব্যাটসম্যান।

অধিনায়ককে সঙ্গে নিয়ে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন ক্রলি। কিন্তু চা-বিরতিতে যাওয়ার আগেই ফের জোড়া ধাক্কায় কেঁপে যায় ইংরেজ ব্যাটিং লাইন-আপ। রুটকে ফিরিয়ে ইংল্যান্ড শিবিরে তৃতীয় ধাক্কাটা হানেন গত ম্যাচের নায়ক রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ৩৭ বল খেলে ক্রিজে থিতু হয়ে যাওয়ার ইংরেজ অধিনায়ক ১৭ রানে ফিরলেন লেগ বিফোর উইকেট হয়ে। তৃতীয় উইকেটে যোগ হয় মূল্যবান ৪৭ রান।

রুট ফেরার পর দীর্ঘায়িত হয়নি ক্রলির ইনিংসও। ৮৪ বলে ৫৩ রান করে অক্ষরের দ্বিতীয় শিকার হন তৃতীয় টেস্টে দলে ফেরা এই ব্যাটসম্যান। ক্রলির অর্ধশতরানের ইনিংস সাজানো ছিল ১০টি চার দিয়ে। ক্রিজে আপাতত ইংল্যান্ডের দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান বেন স্টোকস এবং ওলি পোপ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.