লন্ডন: সপ্তাহ শেষের রবিবার উৎকণ্ঠা চরমে। কারণ সোমবারেই আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের করোনা টিকার বিষয়ে। বিশ্বজুড়ে চলছে প্রতীক্ষা। এর ঠিক আগেই ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন জানিয়েছেন, দেশ জুড়ে আর লকডাউন প্রয়োগ করতে চান না। বিবিসি জানাচ্ছে এই খবর।

বরিস জনসনের অবস্থানে ছড়িয়েছে গুঞ্জন। মনে করা হচ্ছে, অক্সফোর্ডের টিকার কার্যকারিতা সফল তার একটা আগাম বার্তা তিনি দিয়ে রাখলেন। যদিও এই টিকার বিষয়ে ইংল্যান্ড সরকার মুখে কুলুপ এঁটেছে। কিন্তু গবেষকদের ইঙ্গিত, টিকার পরীক্ষায় সফলতা এসেছে।

ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী দ্য সানডে টেলিগ্রাফের মতো সংবাদপত্রকে জানিয়েছেন, তিনি মনে করেন না, ওমন একটা পরিস্থিতি আবারও ব্রিটেনে তৈরি হবে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) আগেই জানিয়েছে, করোনার সংক্রমণ যে কোনও সময় যে কোনও দেশে দ্বিতীয়বার বড়সড় হয়ে দেখা দিতে চলেছে। লকডাউন শিথিল বা তুলে নিয়েছে যে সব দেশ সেখানে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বেড়েছে।

ওয়ার্ল্ডোমিটার জানাচ্ছে, ইংল্যান্ডে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ২ লক্ষ ৯৪ হাজার জনের বেশি। মৃতের সংখ্যা ৪৫ হাজার পার করেছে। মৃতের নিরিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সর্বাধিক। তার পরেই আছে ব্রাজিল। তৃতীয় ইংল্যান্ড। এই পরিস্থিতিতে ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে তৈরি হওয়া টিকা ঘিরে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা বিশ্বের। এই টিকার কার্যকারিতা নিয়ে ইতিমধ্যে গবেষকরা সন্তোষ জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের দাবি, এখনও পর্যন্ত যত করোনা প্রতিরোধক টিকা নিয়ে গবেষণা হচ্ছে, তার মধ্যে সব থেকে এগিয়ে অক্সফোর্ডের টিকা। মাত্র এক কাপ কফির দামেইমিলবে সেই টিকা।

অন্যদিকে রাশিয়া সরকারের দাবি, খুব দ্রুত একটি করোনা প্রতিরোধকারী টিকা আনা হচ্ছে। পরীক্ষায় সফলতা আসছে। টিকা ছাড়াও তিনটি ওষুধ নিয়েও করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করছেন চিকিৎসকরা। একটি হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রেমডেসিভির। অন্যদুটি হল রাশিয়ার অ্যাভিফ্যাভির এবং ব্রিটেনের চিকিৎসকদের পছন্দ ডেক্সামেথাসোন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.