আমদাবাদ: কোভিড আবহের পর ভারতের মাটিতে প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সিরিজি৷ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট খেলছে ভারত৷ চার টেস্টের সিরিজ এই মুর্হূতে ১-১৷ বুধবার থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়াম মোতেরায় শুরু হচ্ছে সিরিজের তৃতীয় তথা পিঙ্ক বল টেস্ট৷ দ্বিতীয় টেস্ট লজ্জাজনক হারলেও ডে-নাইট টেস্টের আগে বিরাটদের হুশিয়ারি দিলেন জ্যাক ক্রলি৷ ভারতের থেকে ইংল্যান্ড ক্রিকেটাররা ডে-নাইট টেস্ট খেলায় বেশি অভ্যস্ত বলে জানান ইংরেজ ওপেনার৷

চেন্নাইয়ে হয়েছে ভারত-ইংল্যান্ড সিরিজের প্রথম দু’টি টেস্ট৷ প্রথম টেস্টে ইংল্যান্ড বড় ব্যবধানে জিতলেও দ্বিতীয় টেস্টে বদলা নেয় ভারত৷ চিপকেই দ্বিতীয় টেস্টে ইংল্যান্ডকে ৩১৭ রানে হারায় টিম ইন্ডিয়া৷ রানের নিরিখে এটাই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের সবচেয়ে বেশি ব্যবধানে জয়৷ প্রথম টেস্টে ভারতীয় ব্যাটসম্যান ইংরেজ পেস বোলিংয়ের সামনে আত্মসপর্ণ করেন৷ কিন্তু দ্বিতীয় টেস্টে ভারতীয় স্পিনারদের সামনে নাস্তানাবুদ হন ইংরেজ ব্যাটসম্যানরা৷

কবজির চোটের কারণে সিরিজের প্রথম দু’টি টেস্টে খেলতে পারেননি ক্রলি৷ আমদবাদে ডে-নাইট টেস্টে তাঁর খেলার সম্ভাবনা বেশি৷ পিঙ্ক বল টেস্টে বল বেশি সুইং করে৷ সেই কারণে ডে-নাইট টেস্টে নিজেদের এগিয়ে রাখছেন ক্রলি৷ শনিবার এই ইংরেজ ওপেনার বলেন, ‘মনে হচ্ছে, খেলাটা আমাদের হাতে থাকবে৷ আমরা সেই পরিবেশি খেলেই বড় হয়েছি, যেখানে বল পরে সুইং করে৷ ভারতীয়দের থেকে আমরা এই সুইং বল খেলতে বেশি অভ্যস্ত৷’

ভারতীয় ক্রিকেটারদের এখনও পর্যন্ত মাত্র দু’টি পিঙ্ক বল টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে৷ ২০১৯ সালের নভেম্বরে ঘরের মাঠে প্রথম ডে-নাইট অর্থাৎ পিঙ্ক বল টেস্ট খেলেছিল ঐতিহাসিক ইডেন গার্ডেন্সে৷ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সেই টেস্ট মাত্র আড়াই দিনেই জিতেছিল কোহলি অ্যান্ড কোং৷ কিন্তু দ্বিতীয় পিঙ্ক বল টেস্টে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা রয়েছে বিরাটদের৷ গত ডিসেম্বরে অ্যাডিলেড ওভালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৮ উইকেট হারে ভারত৷ শুধু তাই নয়, এই টেস্টে অজি পেসারদের গতি ও সুইংয়ের সামনে মাত্র ৩৬ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল কোহলিরা৷ যা ভারতের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বনিম্ন রানের ইনিংস৷

তবে স্পিনের বিরুদ্ধে ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা যে তাঁদের থেকে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য সে কথাও মনে করিয়ে দেন ইংরেজ ওপেনার৷ ক্রলি বলেন, ‘ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা স্পিন বোলিংয়ের দারুণ৷ কারণ তারা স্পিন বলের বিরুদ্ধে খেলেই বড় হয়েছে৷ তবে ভারতীয় এই দলে দারুণ সিম বোলার এবং দারুণ ব্যাটসম্যান রয়েছে৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।