চেন্নাই: ভারতের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে এল ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল৷ বুধবার বিকেলে শ্রীলঙ্কা থেকে চেন্নাই পৌঁছন ইংল্যান্ড ক্রিকেটাররা৷ বিমানবন্দরে পৌঁছনোর পর কোভিড পরীক্ষা দিতে হয়েছে জো রুটদের৷

‘লঙ্কা জয়’ করে ভারতে পা-রাখল রুটবাহিনী৷ দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন ক্যাপ্টেন রুট৷ গলে দুই টেস্টে সিরিজে প্রথম টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি এবং দ্বিতীয় টেস্টে ১৮৬ রানের ইনিংস খেলে বুঝিয়ে দিয়েছেন উপমহাদেশে ব্যাট করতে তৈরি হয়েই এসেছেন তিনি। চিপকে কেরিয়ারের শততম টেস্ট খেলতে নামবেন রুট৷ ভারতের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ নিতে মুখিয়ে রয়েছেন ইংল্যান্ড ক্যাপ্টেন৷ বিদেশের মাটিতে টানা ৫টি টেস্ট ম্যাচ জিতে ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে ইংল্যান্ড।

চার টেস্টের সিরিজ ছাড়াও পাঁচটি টি-২০ এবং তিন ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজ খেলবে ইংল্যান্ড৷ চেন্নাইয়ে ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে টেস্ট সিরিজ শুরু৷ দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচটিও হবে চিপকে৷ সিরিজের পরের দু’টি টেস্ট হবে আমদাবাদে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়াম মোতেরায়৷ কোভিডের কারণে চারটি টেস্ট হচ্ছে মাত্র দু’টি ভেন্যুতে৷

ইংল্যান্ড সিরিজ দিয়েই ঘরের মাঠে করোনা পরবর্তী আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলতে নামছে ভারত৷ গত বছর মার্চে শেষবার টিম ইন্ডিয়া ঘরের মাঠে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছিল৷ নভেম্বরে আইপিএলের পর দুবাই থেকে সরাসরি অস্ট্রেলিয়া উড়ে গিযেছিল ভারতীয় ক্রিকেট দল৷ প্রায় আড়াই মাসের অস্ট্রেলিয়া সফর শেষ করে বৃহস্পতিবার দেশ ফিরেছেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা৷

আগেই চেন্নাই পৌঁছেছেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা৷ মঙ্গলবার রাতে মুম্বই থেকে চেন্নাই পৌঁছন রোহিত শর্মা ও অজিঙ্ক রাহানে৷ তাঁদের সঙ্গে একই বিমানে চেন্নাই পৌঁছেছেন শার্দুল ঠাকুর৷ বিমানবন্দর থেকে সরাসরি হোটেলে লীলা প্যালেসে পৌঁছন টিম ইন্ডিয়ার এই ক্রিকেটাররা৷ পরে বিরাট কোহলি-সহ দলের বাকি ক্রিকেটাররা চেন্নাই পৌঁছন৷ হোটেলে ছ’ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে ক্রিকেটারদের৷ তারপর প্র্যাকটিসে নামার সুযোগ পাবেন বিরাটরা৷

তামিলনাড়ু ক্রিকেট বোর্ডের এক সদস্য জানিয়েছেন, ‘দু’দলের ক্রিকেটার এবং ম্যাচ অফিসিয়ালরা একই হোটেলে থাকছেন। ৬ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকার পর ২ ফেব্রুয়ারি থেকে অনুশীলন শুরু করবে দুই দলের ক্রিকেটাররা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।