ক্যান্ডি: প্রায় পাঁচ দশকের টেস্ট রেকর্ড ভেঙে গেল ক্যান্ডির পাল্লেকেলে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে৷ শ্রীলঙ্কা বনাম ইংল্যান্ডের মধ্যে চলতি সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে দু’দলের স্পিনাররা নিল ৩৮টি উইকেট৷ টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে যা সর্বকালীন রেকর্ড৷

এতদিন একটি টেস্টে স্পিনারদের নেওয়া সর্বাধিক উইকেটের রেকর্ড ছিল ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড ম্যাচের৷ ১৯৬৯ সালে নাগপুরের সেই টেস্টে দু’দলের স্পিনাররা সাকুল্যে ৩৭টি উইকেট নিয়েছিল৷ ক্যান্ডিতে ৪০টি উইকেটের মধ্যে একটি নিয়েছেন শ্রীলঙ্কা অধিনায়ক সুরঙ্গ লাকমল৷ অন্য উইকেটটির পতন ঘটেছে রানআউটে৷

আরও পড়ুন: চোট সারিয়ে মাঠে ফিরেই ট্রিপল সেঞ্চুরি মুম্বইয়ের এই ব্যাটসম্যানের

দুই ইনিংস মিলিয়ে ইংল্যান্ডের স্পিনারদের পকেটে ঢুকেছে ১৯টি উইকেট৷ পেসাররা কোনও উইকেট তুলতে পারেনি৷ এই নিয়ে তৃতীয়বার ইংল্যান্ডের কোনও জেতা টেস্টে ব্রিটিশ পেসাররা উইকেট নিতে ব্যর্থ হয়৷ শেষবার এমনটা হয়েছিল ৬২ বছর আগে৷ ১৯৫৬ অ্যাসেজ সিরিজে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে জিম লেকার যেবার দুই ইনিংস মিলিয়ে ১৯টি উইকেট নিয়েছিলেন, সেবার ইংল্যান্ডের কোনও পেসার উইকেট তুলতে পারেনি৷ তারও আগে ১৯৫১-৫২ সালে কানপুরে ভারতের বিরুদ্ধে প্রথমবার এমন ঘটনার সাক্ষি থেকেছিল ইংল্যান্ডের ক্রিকেটমহল৷

আরও পড়ুন: বিরাট বিরুদ্ধে নামার আগে অস্ট্রেলিয়ার হার

অবশ্য একই টেস্টে ইংল্যান্ডের স্পিনাররা ১৯টি বা তারও বেশি উইকেট নেয় মোট পাঁচবার৷ শেষবার ২০১২-১৩ সালে মুম্বইয়ে ভারতের বিরুদ্ধে মন্টি পানেসর ও গ্রেম সোয়ানের স্পিন জুটি মিলিতভাবে ১৯টি উইকেট দখল করে৷

পাল্লেকেলেতে শ্রীলঙ্কাকে ৫৭ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতে নেয় ইংল্যান্ড৷ ফলে কলম্বোর শেষ টেস্ট কার্যত নিয়ম রক্ষার হয়ে দাঁড়ায়৷ গলে প্রথম টেস্ট ২১১ রানের বিশাল ব্যবধানে জিতেছিল ব্রিটিশরা৷ ক্যান্ডির প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ড ২৯০ রানে অলআউট হয়৷ জবাবে শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংসে করে ৩৩৬ রান৷ ৪৬ রানে পিছিয়ে থেকে ইংল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংসে তোলে ৩৪৬ রান৷ শেষ ইনিংসে শ্রীলঙ্কা শেষ হয়ে যায় ২৪৩ রানে৷ দ্বিতীয় ইনিংসে ১২৪ রানের অধিনায়কোচিত ইনিংসের সুবাদে ম্যাচের সেরা হন জো রুট৷

আরও পড়ুন: অজিদের ‘বিরাট’ পরামর্শ প্রোটিয়া ক্যাপ্টেনের

শ্রীলঙ্কার মাটিতে দীর্ঘ ১৮ বছর পর টেস্ট সিরিজ জিতল ইংল্যান্ড৷ শেষবার ২০০০-০১ সালে দ্বীপরাষ্ট্র থেকে টেস্ট সিরিজ জিতে ফিরেছিল ব্রিটিশরা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.