ম্যাঞ্চেস্টার: প্রথম ইনিংসে ১০৭ রানে পিছিয়ে পড়ার পর বোলারদের সম্মিলিত প্রয়াসে তৃতীয়দিন দারুণভাবে ম্যাচে ফিরেছিল ইংল্যান্ড। অন্যদিকে প্রথম ইনিংসে বড় রানে লিড নেওয়ার পরেও দ্বিতীয় ইনিংসে তার ফায়দা তুলতে ব্যর্থ হয় পাকিস্তান। তৃতীয়দিন দ্বিতীয় ইনিংসে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয় তারা।

ব্রড-আর্চারদের সামনে দ্বিতীয় ইনিংসে মুখ থুবড়ে পড়া পাকিস্তান ৮ উইকেটে ১৩৭ রান তুলে খেলা শেষ করে তৃতীয়দিন। এই অবস্থা থেকে পাকিস্তানের কাছে ম্যাচে ফেরার সম্ভাবনা ছিল ক্ষীণ। যদিও বোলারদের পালটা প্রত্যাঘাতে সেই আশা জাগিয়ে তুলেছিল আজহার আলির ছেলেরা।

কিন্তু জোস বাটলার-ক্রিস ওকসের একটা পার্টনারশিপই ম্যাচ ছিনিয়ে নিল পাকিস্তানের থেকে। শুরুটা ভালো করেও ইংল্যান্ডের কাছে প্রথ টেস্টে ৩ উইকেটে পরাজিত হল পাকিস্তান। চতুর্থদিন সকালে শেষ ২ উইকেটে ৩২ রান যোগ করে পাকিস্তান। সৌজন্যে টেল-এন্ডার ইয়াসির শাহের ৩৩ রান।

উল্লেখ্য, পাকিস্তানের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে সর্বোচ্চ রান এই লেগ-স্পিনারেরই। দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন ব্রড। দু’টি করে উইকেট নেন ক্রিস ওকস এবং বেন স্টোকস। একটি করে উইকেট ভাগ করে নেন জোফ্রা আর্চার এবং ডম বেস।

২৭৭ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে খেলতে নেমে অধিনায়ক জো রুটের ৪২ রান সত্ত্বেও ১১৭ রানের মধ্যে প্রথম ৫ উইকেট খুঁইয়ে ফের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যায় ব্রিটিশদের। তখন ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে পাকিস্তানের ম্যাচ জয়ের ক্ষীন সম্ভাবনা প্রবল করে তুলেছেন মহম্মদ আব্বাস, ইয়াসির শাহরা। কিন্তু পাকিস্তানের সম্ভাবনায় যেন হঠাতই ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান জোস বাটলার এবং অল-রাউন্ডার ক্রিস ওকস।

ষষ্ঠ উইকেটে এই দুই ব্যাটসম্যানের ১৩৯ রানের পার্টনারশিপেই পাকিস্তানের যাবতীয় আশার সলিলসমাধি। ১০১ বলে ৭৫ রানের ইনিংস খেলে বাটলার যখন ফিরলেন তখন অনেকটা দেরি হয়ে গিয়েছে। ইংল্যান্ডের জয়ের জন্য তখন দরকার মাত্র ২১ রান।

৭টি চার ও ১টি ছয়ে সাজানো ছিল ইংরেজ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানের সময়োপযোগী ইনিংস। এরপর ১২০ বলে ৮৪ রানে অপরাজিত ওকস নিশ্চিন্তে লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে দেন দলকে। বাটলারের পর ব্রড ফিরে গেলেও বেসকে সঙ্গে নিয়ে ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলে সিরিজে দলকে এগিয়ে দেন ওকস। ৪ উইকেট এবং ম্যাচ জেতানো ইনিংসে ম্যান অফ দ্য ম্যাচ ওকসই।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও