সাউদাম্পটন: রোজ বোলে জোস বাটলারের পালটা ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন পাক ওপেনার ফখহর জামান। যদিও কাজে এল না তাঁর ১০৬ বলে ১৩৮ রানের অনবদ্য ইনিংস। উত্তেজক ম্যাচে পাকিস্তানকে ১২ রানে হারিয়ে বিশ্বকাপের মহড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ইয়ন মর্গ্যানের ইংল্যান্ড।

একদিনের সিরিজের প্রথম ম্যাচ বৃষ্টির কারণে ভেস্তে যাওয়ার পর শনিবার দ্বিতীয় ওয়ান ডে-তে মুখোমুখি হয় ইংল্যান্ড-পাকিস্তান দুই দল। ম্যাচের প্রথমার্ধটা যদি হয় বাটলারের দ্বিতীয়ার্ধটা তাহলে অবশ্যই ফখহর জামানের। প্রথমে ব্যাট করে রোজ বোলে এদিন ব্যাটিং শক্তির পরিচয় দেন ইংল্যান্ড ব্যাটসম্যানরা। ৮৭ রানের দুরন্ত ইংনিস খেলেন ওপেনার জেসন রয়। ৪৫ বলে ৫১ রান করে আউট হন আরেক ওপেনার বেয়ারস্টো৷ তিন নম্বরে নেমে জো রুট ৪০ এবং ক্যাপ্টেন মর্গ্যান ৪৮ বলে ৭১ রানে অপরাজিত থাকেন।

তবে সবাইকে ছাপিয়ে যান বাটলার৷ আইপিএলে সদ্য ৮ ম্যাচে তিনটি হাফ-সেঞ্চুরি সহ ৩১১ রান করে দেশে ফেরা ইংরেজ উইকেটকিপার ব্যাটসম্যানের এদিন ব্যাটে এদি ঝড় ওঠে৷ পাক বোলারদের নিয়ে ছেলেখেলা করে ৫০ বলে সেঞ্চুরি হাঁকান বাটলার৷ ইংরেজ ব্যাটসম্যান হিসেবে এটি দ্বিতীয় দ্রুততম ওয়ান ডে সেঞ্চুরি৷ আর বিশ্বের মধ্যে দশম দ্রুততম৷ ৫৫ বলের ধামাকাদার ইনিংসে ৯টি ছয় ও হাফ-ডজন বাউন্ডারি মারেন বাটলার৷ ব্যাটসম্যানদের দাপটে অতিথি দলকে পাহাড়প্রমাণ ৩৭৪ রানের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁড়ে দেয় ব্রিটিশরা।

জবাবে রান তাড়া করতে নেমে ছাড়বার পাত্র ছিলেন না পাক ব্যাটসম্যানরাও। ওপেনিং জুটিতে ৯২ রান ওঠার পর দ্বিতীয় উইকেটে ফখহরের সঙ্গে জুটি বেঁধে ১৩৫ রান যোগ করেন বাবর আজম। অর্ধশতরান (৫১) সম্পূর্ণ করে ফেরেন তিনি। কিন্তু ইংল্যান্ডের পাহাড়প্রমাণ রান তাড়া করার লক্ষ্যে ওপেনার ফখহর জামানের ধুন্ধুমার ব্যাটিংয়ে ম্যাচ জয়ের স্বপ্ন দেখা শুরু হয় পাক শিবিরে। তাঁর ১৩৮ রানের ইনিংস সাজানো ছিল ১২টি চার ও ৪টি ছক্কায়।

অনবদ্য ইনিংস খেলে জামান ফিরে যাওয়ার পর আসিফ আলির ৫১ ও অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদের অপরাজিত ৪১ রান আশার আলো দেখালেও তা ম্যাচ জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেট হারিয়ে ৩৬১ রানে শেষ হয় পাক ইনিংস। ইংল্যান্ডের হয়ে দু’টি করে উইকেট নেন ডেভিড উইলি ও লিয়াম প্লাঙ্কেট। একটি করে উইকেট নেন ক্রিস ওকস, মইন আলি ও আদিল রশিদ। একটি উইকেট নিলেও ১০ ওভারে সর্বোচ্চ ৮১ রান খরচ করেন রশিদ।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।