আমদাবাদ: মর্নিং সেশনেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় সেশনে আর দু’টি উইকেট তুলে নিয়ে ব্রিটিশদের আরও চাপে ফেলে দিল টিম ইন্ডিয়া। প্রথমদিন চা-বিরতিতে ১৪৪ রানে ৫ উইকেট খুঁইয়ে মোতেরায় চতুর্থ টেস্টেও কোণঠাসা ইংল্যান্ড।

৩ উইকেটে ৭৪ রান নিয়ে খেলা শুরু করার পর পঞ্চম উইকেটে ওলি পোপের সঙ্গে জুটি বেঁধে বেন স্টোকসের ৪৩ রানের যোগদানে কিছুটা লড়াই করার রসদ পায় ইংল্যান্ড। কিন্তু অর্ধশতরান পূর্ণ করার পর ৫৫ রানে ওয়াশিংটন সুন্দরের শিকার হন স্টোকস। দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই ২৮ রানে জনি বেয়ারস্টোকে ফিরিয়ে দেন পেসার মহম্মদ সিরাজ। চা-বিরতিতে অপরাজিত দুই ব্যাটসম্যান ওলি পোপ এবং ড্যান লরেন্স ব্যাট করছেন যথাক্রমে ২১ রান এবং ১৫ রানে।

মোতেরায় ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের শেষ টেস্টে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ইংলান্ড অধিনায়ক রুট৷ শুরুটা ভালো হয়নি ইংরেজদের৷ মাত্র ৩০ রানে প্রথম তিন ব্যাটসম্যানকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান ভারতীয় বোলরারা৷ ইনিংসের দ্বিতীয় বলে ক্রলির বিরুদ্ধে জোরালো আবেদন নাকচ হয়ে যাওয়ার পরও স্কোরবোর্ড বড় রান তুলতে পারেননি ইংরেজ ওপেনাররা৷ ব্যক্তিগত ৪ রানে সিবলের স্টাম্প নাড়িয়ে দেন অক্ষর প্যাটেল৷ দুই ওপেনারকেই প্যাভিলিয়নে ফেরান ভারতীয় এই বাঁ-হাতি স্পিনার৷ ব্যক্তিগত ৯ রানে তাঁর দ্বিতীয় শিকার ক্রলি৷

মাত্র ১৫ রান দুই ওপেনারকে হারায় ইংল্যান্ড৷ সেখান থেকে ক্যাপ্টন রুট ও জনি বেয়ারস্টো ইংল্যান্ড ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন৷ কিন্তু রুটের সেই চেষ্টায় জল ঢালেন মহম্মদ সিরাজ৷ পিঙ্ক বল টেস্টে সুযোগ না-পাওয়া টিম ইন্ডিয়ার এই তরুণ পেসার এদিন শুরুতেই রুটকে ফেরত পাঠান৷ ব্যক্তিগত ৫ রানে সিরাজের বলে এলবিডব্লিউ হন ইংরেজ ক্যাপ্টেন৷ ৩০ রানে তিন উইকেট হারানোর পর অবিভক্ত চতুর্থ উইকেটে ৪৪ রান যোগ করে লাঞ্চের আগে ইংল্যান্ডের লড়াই জারি রাখেন বেয়ারস্টো ও স্টোকস৷

সিরিজের প্রথম টেস্টে ইংল্যান্ডের কাছে ২২৭ রানে হারের পর দারুণভাবে সিরিজে ঘুরে দাঁড়ায় ভারত৷ ৩১৭ রানে দ্বিতীয় টেস্ট জিতে সিরিজে সমতা ফেরায় কোহলি অ্যান্ড কোং৷ তারপর তৃতীয় টেস্টে ১০ উইকেটে জিতে চার টেস্টের সিরিজে ২-১ এগিয়ে থেকে শেষ টেস্টে নামে টিম ইন্ডিয়া৷ এই টেস্ট জিতলে সিরিজ জয়ের পাশাপাশি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পৌঁছে যাবে কোহলি অ্যান্ড কোং৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।