ছবি: প্রতীকী

স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান৷ শুক্রবার ভোরে মালদহ থেকে শিলিগুড়ির দিকে বাস চলাচল শুরু হল।ফলে স্বস্তির শ্বাস আটকে পড়া মানুষজনের চোখে মুখে৷ এদিন দুপুর পর্যন্ত মোট ১৪টি বাস শিলিগুড়ির দিকে রওনা দিয়েছে৷ আরও ১৪টি বাস রওনা দেবে শিলিগুড়ির দিকে

আরও পড়ুন: পরিবহণে আয় বাড়াতে পর্যটনের উপর ভরসা শুভেন্দুর

বন্যা পরিস্থিতির জন্য গত কয়েকদিন ধরে মালদহের গৌড়কন্যা বাস টার্মিনাসে সারি দিয়ে দাঁড়িয়ে থেকেছে সরকারি ও বেসরকারি বাস। শিলিগুড়িগামী কোনও বাসেরই চাকা ঘোরেনি। আটকে পড়া মানুষজন কখনও রেল স্টেশন, কখনও বা বাস টার্মিনাস ঘুরে বেড়িয়েছেন৷ অবশেষে শিলিগুড়ির দিকে বাস চলাচল শুরু হওয়ায় তাঁরা স্বস্তির শ্বাস ফেলেছেন৷

এদিন ভোর ৫টায় সরকারি বাস শিলিগুড়ির দিকে রওনা দেয়৷ তারপর থেকে দিনভর রায়গঞ্জ, শিলিগুড়ির দিকে মোট ১৪ টি বাস রওনা দিয়েছে৷ এর মধ্যে ৮টি সরকারি ও ৬ টি বেসরকারি৷ ফরাক্কার জলে জলমগ্ন মালদহ হয়ে উঠেছিল যেন বিচ্ছিন্ন এক দ্বীপ৷ অবরুদ্ধ রেল ও সড়ক – দুই পথই৷ আটকে পড়েছিলেন বিভিন্ন রাজ্যের কয়েক হাজার মানুষ৷। সঙ্গে থাকা টাকা পয়সাও শেষ হয়ে আসছিল৷এদিকে থাকার সঙ্কুলান, হাহাকার ছিল খাবারেরও৷ সব মিলিয়ে দুর্বিষহ অবস্থা হয়ে উঠেছিল৷

আরও পড়ুন: ২৬৯ জনকে স্বেচ্ছা অবসর দিল উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থা

রেলপথ এখনও অবরুদ্ধ৷ তবে এরই মধ্যে আজ প্রথম বাসের চাকা ঘুরেছে উত্তরের পথে।মালদহ থেকে সরাসরি না হলেও ঘুরপথে গন্তব্যে পোঁছতে শুরু করেছেন বিপন্ন মানুষ৷ স্বাভাবিকভাবেই আটকে পড়া মানুষজনের চোখে মুখে খুশির ঝিলিক৷ চালকরা জানিয়েছেন, প্রায় ৩৮ কিলোমিটার ঘুরপথে দক্ষিণ দিনাজপুরের বুনিয়াদ, উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ ও রায়গঞ্জ হয়ে বাস যাচ্ছে শিলিগুড়ি। ফলে সময় একটু বেশি লাগছে৷ তবে ঝুঁকি নিয়ে বাস চালাতে হলেও আটকে পড়া যাত্রীদের গন্তব্যে পোঁছে দিতে পেরে খুশী চালকরা।